ব্যাটিং অর্ডারে পরিবর্তন

বাংলাদেশ দলের পাকিস্তানে যাওয়াটা পছন্দ নয় অধিকাংশ বাংলাদেশির। বিতর্কিত এই সিরিজে তাই জয়ের বিকল্প নেই। সিরিজ হারলে চরম সমালোচনার মুখে পরতে হবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে। এমন পরিস্থিতিতে সিরিজের প্রথম ম্যাচেই দলের ব্যাটিং অর্ডারে এসেছে বড় ধরনের পরিবর্তন।

উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান তামিমের সঙ্গী পরিবর্তন হয়েছে। তামিমের সাথে নামছেন মোহাম্মদ নাঈম শেখ। ওয়ান ডাউনে জায়গা হলো আফিফ হোসেন ধ্রুবর। আরেক ওপেনার লিটন দাস নেমে গেলেন চারে। আগে কখনও কখনও ওয়ান ডাউনে নামলেও এবার স্থান চারে।

অধিনায়ক মাহমুদউল্ল্যাহ রিয়াদ আছেন পাঁচে। সৌম্য চলে গেলেন ছয় নম্বর পজিশনে।

অধিনায়ক রিয়াদ এর আগে সংবাদ সম্মেলনে ব্যাটিং অর্ডারে পরিবর্তন আনার কথা বলেছিলেন। তবে এতোটা পরিবর্তন ভাবেনি কেউই।

এর আগে বাংলাদেশ ২০১২ সালে শ্রীলংকার পাল্লেকেলেতে পাকিস্তানের বিপক্ষে দলীয় সর্বোচ্চ ১৭৫/৫ করেছিল। অন্যদিকে, টাইগারদের বিপক্ষে পাকিস্তানিদের দলীয় সর্বোচ্চ রান ছিল ২০৩/৫। পাতারা ওই রান সংগ্রহ করেছিল ২০০৮ সালে বাংলাদেশ দলের সবশেষ পাকিস্তান সফরে।

উল্লেখ্য, প্রায় একযুগ পর পাকিস্তানের মাটিতে বাংলাদেশ সিরিজ খেলছে।

সিরিজের প্রথম ম্যাচে শুক্রবার লাহোর গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মাহমুদউল্ল্যাহ রিয়াদ।

বাংলাদেশ পাকিস্তানের মাঠে সব শেষ খেলেছিল ২০০৮ সালে। ২০০৯ সালে দেশটিতে শ্রীলংকান ক্রিকেটারদের ওপর হামলার কারণে পাকিস্তান থেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নির্বাসনে গিয়েছিল। অন্যসব দেশের মত বাংলাদেশের ক্রিকেটাররাও নিরাপত্তার কারণে সেখানে খেলতে যায়নি। এক যুগ পর এবার বাংলাদেশ দল পাকিস্তানে গেল। তবে দলের অন্যতম ব্যাটিং স্তম্ভ ও সাবেক ক্যাপ্টেন নিরাপত্তার কারণে দল থেকে নিজের নাম সরিয়ে নিয়েছেন।

বাংলাদেশ: তামিম ইকবাল, মোহাম্মদ নাঈম শেখ, আফিফ হোসেন ধ্রুব, লিটন কুমার দাস (উইকেট রক্ষক), মাহমুদউল্যাহ রিয়াদ (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, মোহাম্মদ মিঠুন, আমিনুল ইসলাম বিপ্লব, শফিউল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান ও আল-আমিন হোসেন।

পাকিস্তান:  বাবর আজম (অধিনায়ক), আহসান আলী, মোহাম্মদ হাফিজ, শোয়েব মালিক, ইফতেখার আহমেদ, ইমাদ ওয়াসিম, মোহাম্মদ রিজওয়ান, শাদাব খান, হারিস রউফ, শাহীন শাহ আফ্রিদি ও মোহাম্মদ হাসনাইন।

এই সিরিজের তিনটি ম্যাচই হবে বাংলাদেশ সময় বেলা ৩টায়। সব ম্যাচ হবে একই ভেন্যুতে। আজকের পর দ্বিতীয় ম্যাচ হবে আগামীকাল শনিবার। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ হবে ২৭ জানুয়ারি সোমবার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *