৬ এপ্রিল ২০২১ (নিউজ ডেস্ক): লকডাউন নিশ্চিতকরণে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) বিভিন্ন এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে।
মহাখালী অঞ্চলের আঞ্চলিক নিবার্হী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল বাকীর নেতৃত্বে গুলশান-১ ও ২ এবং মহাখালী কাঁচাবাজার এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এসময় করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে সরকার ঘোষিত লকডাউন বাস্তবায়নে উপস্থিত সবাইকে সচেতন করা হয়।
কারওয়ান বাজার অঞ্চলের আঞ্চলিক নিবার্হী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মাসুদ হোসেনের নেতৃত্বে কাওরান বাজারের প্রধান সড়ক থেকে অবৈধ ভাসমান দোকান অপসারণ করা হয়। এসময় দুইটি হোটেলের ভিতরে লোকজনকে খাবার পরিবেশনের অপরাধে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
সঠিকভাবে মাস্ক ব্যবহার না করার অপরাধে ১৮ জনকে ১ হাজার ৮০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একটি হার্ডওয়্যারের দোকান খোলা রাখায় এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ফুটপাতে মালামাল রাখার জন্য দুই জনকে ১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়াও রাস্তায় পেঁয়াজ মজুদ করায় তা জব্দ করে নিলামে ৪ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।
মিরপুর-১০ অঞ্চলের আঞ্চলিক নিবার্হী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সালেহা বিনতে সিরাজের নেতৃত্বে মিরপুর এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এ সময় সংক্রমক ব্যাধি (প্রতিরোধ, প্রতিকার ও নির্মূল) আইন ২০১৮ এর ২৫ (১) ধারায় নির্দেশনা অমান্য করার অপরাধে ১৫টি মামলায় মোট ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাজওয়ার আকরাম সাকাপি ইবনে সাজ্জাদের নেতৃত্বে নিকুঞ্জ এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এসময় তিনটি মামলায় ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
হরিরামপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজিয়া আফরিনের নেতৃত্বে উত্তরা সেক্টর ১১, ১২, ১৩ ও ১৪-এর সোনারগাঁও জনপদ অ্যাভিনিউ, শাহ মখদুম অ্যাভিনিউ, গাউসুল আজম অ্যাভিনিউ রোডসহ বিভিন্ন রোডে লকডাউন নিশ্চিতকরণে অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
এসময় মাইকিং করে জনগণকে আবশ্যিকভাবে মাস্ক পরার বিষয়ে এবং অপ্রয়োজনে বাইরে বের না হওয়ার জন্য সতর্ক ও সচেতন করা হয়। অভিযান চলাকালে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন থেকে ৫০টি মাস্ক বিতরণ করা হয়। ফুটপাত অবৈধভাবে দখল করে মালামাল রাখায় একটি দোকানকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
দক্ষিণখান অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোতাকাব্বির আহমেদের নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্ট হাজী ক্যাম্প এলাকায় ৭টি মামলায় মোট ১০ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পার্সিয়া সুলতানার নেতৃত্বে অঞ্চল ১০-এর ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। মাছের বাজার, কাঁচা বাজার এলাকায় অভিযানকালে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য সচেতন করা হয় এবং মাস্ক বিতরণ করা হয়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ২৬৯ ধারা, স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন, ২০০৯-এর বিভিন্ন ধারা ভঙ্গের অপরাধে ৩ জনকে জরিমানা করা হয়। এছাড়াও, রাস্তার চলাচলরত জনগণকে মাস্ক সঠিকভাবে পড়ার পরামর্শ দেয়া হয়, সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সতর্ক করা হয়।
উত্তরখান অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবেদ আলীর নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্ট চারটি মামলায় ৪ হাজার ৭০০ টাকা জরিমানা করে।
সম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে ভাটারা অঞ্চলের ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন জায়গায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় মোট ৬টি মামলায় ১২ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। প্রতিটি এলাকায় করোনা ভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকার জন্য জনগণকে সচেতন করা হয়।
নিরীক্ষা কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাসির উদ্দিন মাহমুদের নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্ট মিরপুরের ইব্রাহিমপুরে ৮টি মামলায় মোট ৩৪ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে।
ডিএনসিসি/টিটি/আরএম
















Leave a Reply