৩০ নভেম্বর ২০২১ (নিউজ ডেস্ক): তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ডক্টর হাছান মাহমুদ বলেছেন, দেশের সব মানুষের ডিজিটাল নিরাপত্তার জন্যই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন। কোনও বিশেষ পেশার মানুষের জন্য নয়। বিশ্বের প্রায় সবদেশেই এ ধরনের আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার রাজধানীর র্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে আয়োজিত এক সেমিনারে নিজ দপ্তর থেকে অনলাইনে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।
আওয়ামী লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডক্টর হাছান মাহমুদ বলেন, ডিজিটাল বিষয়টা যখন আজকের বাস্তবতা। তখন পৃথিবীর প্রায় সবদেশ এধরণের আইন তৈরি করেছে কিম্বা করছে। আমাদের দেশে যখন ডিজিটাল বিষয় ছিল না তখন এ আইনের প্রয়োজন ছিল না। আজকে যদি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিম্বা অনলাইনে একজন গৃহিনীর চরিত্র হনন করা বা মিথ্যা অপবাদ দেয়া হয় তাহলে তিনি কোন আইনের বলে প্রতিকার পাবেন! একজন কৃষক, ছাত্র, লেখক, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী কিম্বা একজন রাজনীতিবিদের ক্ষেত্রে যদি সেটি ঘটে, তাহলে প্রতিকার পাওয়ার জন্য আইনের প্রয়োজন রয়েছে। সেই প্রয়োজনীয়তার নিরিখেই পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট প্রণয়ন করা হয়েছে।
অনলাইন অপরাধের উদাহরণ দিয়ে সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, পেছনে ফিরে গত কয়েক বছরের ঘটনাপ্রবাহ পর্যবেক্ষণ করলে আমরা দেখতে পাই যে, রামুর ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালানোর কারণে হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে দুর্গাপূজা উপলক্ষে যে ঘটনা ঘটেছে সেটিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের কারণে। এর আগে যে ছেলেধরা গুজব এবং পদ্মাসেতু করতে হলে সেখানে নরবলি দিতে হবে এমন গুজব রটিয়ে দেয়া হলো। সেকারণে অনেক নিরীহ মানুষ নানাভাবে হত্যাকাণ্ডের শিকার হলো। সেটিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কারণে।
এসব কারণেই এ আইন নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর কোনও সুযোগ নেই উল্লেখ করে মন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, দেশের মানুষের ডিজিটাল নিরাপত্তা দেয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব। সে দায়িত্ব থেকেই এ আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। তবে অবশ্যই এ আইনের যাতে অপপ্রয়োগ না হয়, কারও মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় কিম্বা মুক্তমত-মুক্তবুদ্ধিচর্চার ক্ষেত্রে ব্যত্যয় সৃষ্টি না করে সেজন্য সরকার সচেতন আছে।
তথ্যমন্ত্রী/এসকেএম
আর্ট নিউজ ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে:
















Leave a Reply