০৭ জুলাই ২০২১ (নিউজ ডেস্ক): করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে স্বশরীরে কোরবানীর পশুর হাট এড়ানোর লক্ষ্যেই ‘ডিএনসিসি ডিজিটাল হাট-২০২১’ এর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এমনটা বলেছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) মেয়র মোহাম্মদ আতিকুল ইসলাম।
বুধবার এয়ারপোর্ট রোড এবং দক্ষিণখান এলাকায় সরেজমিনে পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ডিএনসিসি মেয়র একথা বলেন।
মেয়র বলেন, ডিএনসিসির নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্লটারিং হাউজে বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে এবার ১ হাজার কোরবানির পশু জবাইয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ২৫টি ফ্রিজার ভ্যানের মাধ্যমে কোরবানি করা গবাদি পশুর গোশত যথাযথভাবে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হবে। এবং ‘মানব সেবা’ নামক একটি এনজিওকে চামড়া দিয়ে দেয়া হবে।
দক্ষিণখান এলাকা পরিদর্শনকালে ডিএনসিসি মেয়র এই এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা প্রদান করেন।
তিনি নগরবাসীকে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে যত্রতত্র ময়লা না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার জন্য অনুরোধ করেন। এবং সবাইকে সরকারের নির্দেশনাসহ স্বাস্থ্য বিধিসমূহ যথাযথভাবে মেনে চলার পরামর্শ দেন।
এয়ারপোর্ট রোড এলাকা পরিদর্শনকালে মেয়র বলেন, বিআরটি কর্তৃপক্ষ কমপ্লায়েন্স মেনে কাজ না করায় এয়ারপোর্ট রোডসহ আশেপাশের এলাকায় পরিবেশ দূষণসহ বিভিন্ন ধরণের জনভোগান্তির সৃষ্টি করেছে। বাস র্যাপিড ট্রানজিট-বিআরটি কিংবা মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষকে ডিএনসিসির সাথে সমন্বয় করে কমপ্লায়েন্স মেনে যথাযথভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, বিআরটি কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই জনকল্যাণে এয়ারপোর্টের সন্নিকটে মহাসড়কে প্রতিবন্ধকতা বিহীন একটি ইউটার্নের সুব্যবস্থা রাখতে হবে। বিআরটি কর্তৃপক্ষকে রাস্তা, ড্রেন ও ফুটপাথ সচল রেখে কাজ করতে হবে। জনগণের যাতে কোনও ধরনের ভোগান্তি না হয় সেজন্য নিয়মিত রাস্তা, ড্রেন ও ফুটপাথ পরিষ্কারের ব্যবস্থা করতে হবে।
মেয়র বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় যেকোনও প্রকল্প গ্রহণের পূর্বেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ডিএনসিসির সাথে বিস্তারিত আলোচনা করতে হবে। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে অনুমতি নিয়ে ডিএনসিসির সাথে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম, ডিএনসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন।
মেয়র আতিকুল ইসলাম/এসকেএম















