আন্তর্জাতিক ডেস্ক: চলতি বছরে এ পর্যন্ত প্রায় দেড় লাখ অভিবাসী ইতালিতে প্রবেশ করেছেন সাগর পথে। অভিবাসন প্রত্যাশী প্রথম ১০টি দেশের শীর্ষ তিন দেশই আফ্রিকার। ইতালিতে সাগর পথে আসা অভিবাসীদের শীর্ষ দেশগুলোর তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে বাংলাদেশিরা।
মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি প্রাথমিক পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে। সাগর পথে চলতি বছর কতোজন অভিবাসী ইতালিতে প্রবেশ করেছেন সেই বিষয়েই প্রকাশিত এই পরিসংখ্যান।
পরিসংখ্যানে জানানো হয়, ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত ইতালির উপকূলে পৌঁছানো অভিবাসীদের সংখ্যা নিয়ে এই প্রতিবেদন। প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী উপকূলে পৌঁছানো অভিবাসীর মোট সংখ্যা এক লাখ ৫২ হাজার ৮৮২ জন, যা ২০২২ সালের চেয়ে ৬২ শতাংশ বেশি।
২০২২ সালে অভিবাসনপ্রত্যাশী ৯৫ হাজার ৭৫৮ জন ইতালিতে এসেছিলেন। এর আগের বছর (২০২১) ভূমধ্যসাগর পার হয়ে এসেছিলেন ৬৩ হাজার ৬২ জন।
ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সবচেয়ে বেশি অভিবাসন প্রত্যাশী এসেছেন আফ্রিকার গিনি থেকে। চলতি বছর শুধু গিনি থেকেই ইতালিতে এসেছেন ১৮ হাজার ১৬৪ জন।
এই তালিকার দ্বিতীয় দেশ তিউনিশিয়া। আফ্রিকার এই দেশটি থেকে আসা অভিবাসী প্রত্যাশীর সংখ্যা ১৭ হাজার ৭৩ জন। এদের অধিকাংশই নিজ দেশ থেকে ইতালিতে পালিয়ে এসেছেন রাজনৈতিক কারণে।
তালিকার তিন নম্বরে আছে আফ্রিকারই আরেকটি দেশ। আইভোরিকোস্ট। দেশটির ১৫ হাজার ৯৭২ জন নাগরিক সাগর পাড়ি দিয়ে ইতালিতে এসেছেন।
চলতি বছর ১২ হাজার ১০০ জন বাংলাদেশি সাগর পথে ইতালি উপকূলে পৌঁছেছেন। এদের একটি বড় অংশ ইতালি গিয়েছেন আফ্রিকান দেশ লিবিয়া থেকে।
তালিকার ৫ ও ৬ নম্বর দেশ মধ্যপ্রাচ্যের সিরিয়া ও আফ্রিকার বুরকিনা ফাসো। দক্ষিণ এশিয়ার দেশ পাকিস্তান আছে তালিকার সাত নম্বরে। চলতি বছর ৭ হাজার ৫৬৫ জন পাকিস্তানি সাগর পথে ইতালি পৌঁছেছেন। তবে, ২০২৩ সালে অগণিত পাকিস্তানি ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে নিহত হয়েছেন। শীর্ষ ১০ দেশের তালিকার নবম ও দশম স্থানে থাকা দেশ দুইটিও আফ্রিকার। এই দুই দেশ- মালি ও সুদান।
শীর্ষ ১০ দেশের বাইরে অন্যান্য দেশ থেকে ইতালিতে আসা অভিবাসীর সংখ্যা ৪১ হাজার ৪৬৮ জন।
সূত্র: ইনফামাইগ্রেন্টস
ইতালি/এএমএম/টিটি
আরও খবর পড়তে: artnewsbd.com
আর্ট নিউজ ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে: ARTNews BD














Leave a Reply