২ সেপ্টেম্বর ২০২২ (নিউজ ডেস্ক): জিয়াউর রহমান ও বিএনপির মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল থেকে শুরু করে বিশ্বাঙ্গনে নিয়ে যাওয়া হবে। যারা মানবাধিকারের কথা বলে দেশে-বিদেশে অপপ্রচার-প্রোপাগান্ডা ছড়ায় তাদের স্বরূপ উন্মোচন করা হবে। এমনটাই জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ডক্টর হাছান মাহমুদ।
শুক্রবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় মন্ত্রী এ কথা জানান। দীপ্ত টেলিভিশন নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র ‘গণফাঁসি ৭৭’ প্রদর্শনী এবং ১৯৭৭ সালে হত্যা-গুমের শিকার সেনাসদস্যদের পরিবারগুলোর সংগঠন ‘মায়ের কান্না’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
ডক্টর হাছান বলেন, জিয়া ছিলেন ঠাণ্ডা মাথার খুনি। সকালে নাস্তা করতে করতে ফাঁসির আদেশে তিনি সই করতেন। দাবি উঠেছে, কমিশন গঠন করে ১৯৭৭ সালে জিয়াউর রহমানের হত্যার শিকার সেনা ও বিমানবাহিনীর অফিসার ও জাওয়ানদের বোবাকান্নার সত্য উন্মোচন করার। আমি এই দাবির সাথে একাত্মতা ঘোষণা করছি।
তিনি বলেন, এখানে যারা বক্তব্য রেখেছেন তারা জানেন না তাদের বাবা ও স্বামীর কবর কোথায়। এই জবাব খালেদা জিয়া বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপি নেতাদের কাছে চাই। অথচ মানবাধিকারের কথা বলে নয়াপল্টনের অফিস এবং প্রেসক্লাবের সামনে মির্জা ফখরুলসহ বিএনপি নেতারা বক্তৃতা করেন।
সভায় আলোচনা করেন আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক ও সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল গোলাম হেলাল মোর্শেদ খান বীরবিক্রম ও “গণফাঁসি ৭৭’ প্রামাণ্যচিত্রের পরিচালক ফুয়াদ চৌধুরী। স্মৃতিচারণ করেন ‘মায়ের কান্না’র প্রধান সমন্বয়ক কামরুজ্জামান মিঞা লেলিনসহ ১৯৭৭ সালে জিয়াউর রহমান কর্তৃক গুমের শিকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সদস্যরা।
তথ্যমন্ত্রী/এসকেএম/আরএম
আরও খবর পড়তে: artnewsbd.com
আর্ট নিউজ ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে: ARTNews BD
















Leave a Reply