আজাদ রহমানের মহাপ্রয়াণে…

রহমান মুস্তাফিজের মন্তব্য প্রতিবেদন: সঙ্গীতজ্ঞ আজাদ রহমান, আমাদের আজাদ ভাই। বাংলা খেয়ালের জনক আজাদ রহমান আর নেই। বাংলা গানের কিংবদন্তী আজাদ রহমান বিকেলে মারা গেছেন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে। রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

আজাদ রহমান শুক্রবার অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে দ্রুতই নেয়া হয় হাসপাতালে। সেখানেই আজ সাড়ে ৪টার দিকে নিথর হয়ে গেলেন। প্রায় ৭৭ বছরের বর্ণাঢ্য জীবনে দাড়ি টানলেন।

একজন সঙ্গীত শিল্পী হিসেবে আজাদ রহমানকে জানতাম। তাঁর লেখা, সুর করা বা গাওয়া গান শুনেছি শৈশব থেকেই। পত্রিকায় ছবি দেখেছি। বিটিভি-তে তার শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শুনেছি রাতের অনুষ্ঠানে। প্রথম পরিচয় ১৯৯৫ সালের শেষ বা ৯৬ সালের শুরুর দিকে কোন এক সন্ধ্যায়। তখন আমি সাংবাদিকতায় এসেছি। কালচারাল বিট করি।

কিছুদিন পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলো প্রায় ২১ বছর পর। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক হিসেবে আজাদ রহমানকে দায়িত্ব দিলেন। শিল্পকলা একাডেমির নতুন ভবনগুলো তখনও নির্মিত হয়নি। তিনি বসতেন প্রাশাসনিক ভবনের দোতলায়।

আজাদ ভাই শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক হওয়ার পর যোগাযোগ বেড়ে গেল। ঢাকায় তখন এতো মিলনায়তন নেই। অধিকাংশ অনুষ্ঠানই হতো শিল্পকলা একাডেমিতে। স্বভাবতই সেখানে আমাদের নিত্যদিন যাওয়া হতো। একাডেমিতে যাওয়া মানেই আজাদ ভাইয়ের রুমে কিছুক্ষণের জন্য হলেও ঢু মারা।

এই সময় আজাদ ভাইয়ের সাথে গড়ে ওঠে তুমুল সখ্যতা। কালচারাল বিটের সবাই আমাদের দুইজনকে বন্ধু বলতেন। বিশেষ করে ইত্তেফাকের রেজানুর রহমান (বর্তমানে আনন্দ আলোর সম্পাদক), জনকণ্ঠের আশীষ-উর রহমান শুভ (বর্তমানে প্রথম আলোতে), দিনকালের মাহমুদা চৌধুরী, আজকের কাগজের নৃপেণ বিশ্বাস (প্রয়াত), সংবাদের মাহবুব মতিন (প্রয়াত) বলতেন, আজাদ ভাই আর আমি… আমরা অসম বয়েসী দুই বন্ধু।

আজাদ ভাইও অনেকের সাথে আমাকে বন্ধু হিসেবেই পরিচয় করিয়ে দিতেন। এমনও হয়েছে, কোন একটি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান হবে শিল্পকলা একাডেমিতে। সে সময়ে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের (বর্তমানে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক) আগেই চলে এসেছেন অনুষ্ঠানে। তিনি মহাপরিচালকের রুমে না গিয়ে সরাসরি চলে এলেন মিলনায়তনে। মহাপরিচালক হিসেবে আজাদ ভাই তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন। এমন সময় হয়তো আমিও উপস্থিত হলাম। প্রতিমন্ত্রীর সাথে সৌজন্য আলাপ করে আজাদ ভাইয়ের কাছে জানতে চাইলাম, নতুন কোন খবর?

আমার প্রশ্নে উল্লসিত হতেন আজাদ ভাই। বলতেন, নতুন একটা গান বাঁধছি, শোন… বলেই গুন গুনিয়ে শুরু করতেন গান। বলতেন গানের পিছনের কথা। কথা বলতে বলতে আমার কাঁধে হাত রাখতেন। গাইতে গাইতে হাঁটতেন। তিনি ততোক্ষণে অন্যভূবনে। সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী অবাক হয়ে দেখতেন আমাদের। মাঝে মাঝে আজাদ ভাইকে বলতাম, মন্ত্রীকে একা রেখে আমরা চলে এসেছি। আজাদ ভাই বলতেন, কাজটা ঠিক হয়নি। কিন্তু উনি অফিস ডিউটিতে আছেন। তোমাকে এখনই যদি নতুন সুরটা না শোনাই তাহলে ভুলে যাবো। তো এই ছিলেন আজাদ ভাই। পুরোপুরি গানের মানুষ। রাষ্ট্রীয় প্রটোকলের চেয়ে গানটাকেই প্রাধান্য দিতেন।

এমনও হয়েছে, আমি অনুষ্ঠান মঞ্চের কাছে পৌঁছেছি। আমাকে দেখেই সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলতেন, আপনার বন্ধু চলে এসেছে। বলেই কাদের ভাই হাসতেন। কাদের ভাই প্রথম দিকে খুব বিরক্ত হতেন। একটা বাচ্চা রিপোর্টারের জন্য মন্ত্রীকে রেখে মহাপরিচালক চলে যাচ্ছেন… এটা মানতে পারতেন না। একটা সময়ে এসে এটা কাদের ভাইয়ের অভ্যস্থতায় পরিণত হয়েছিল। তিনি তখন বুঝতেন আজাদ ভাই ভিন্ন রকমের মানুষ, প্রচলিত ধারার আমলা নন। তিনি গানের মাঝেই ডুবে থাকতে পছন্দ করেন। তাই পরে কাদের ভাইও অংশ নিতেন গানের আলোচনায়। কাদের ভাইও কবিতা লিখতেন, গান পছন্দ করতেন। তাই আমাদের আলোচনায় তিনি অংশ নিতেন স্বতঃস্ফূর্তভাবেই।

আজাদ ভাই খেয়াল গাইতেন। এক সময় তিনি ভাবলেন ভিনদেশি ভাষায় যদি খেয়াল গাওয়া যায়, তবে বাংলায় নয় কেন? শুরু হলো তাঁর আরেক সাধনা। লিখলেন ও সুর দিলেন… সঙ্গীতাঙ্গণে আবির্ভাব ঘটলো বাংলা খেয়ালের। ‘খেয়াল’ জগতে তৈরি হলো আলাদা ঘরানা।

আজাদ ভাইয়ের লেখা এই খেয়ালগুলো ছিল ডায়েরিতে। তার শিষ্যরা সেখান থেকে কপি করে নিতেন। একদিন আজাদ ভাইকে বললাম, বাংলা খেয়ালের ব্যাকরণ ও গানগুলো নিয়ে বই হওয়া উচিত। নয়তো এক সময় হারিয়ে যাবে।

আজাদ ভাই আমার সাথে একমত হলেন। কিন্তু লিখি লিখি করেও কাজটা শুরু করতে পারলেন না। এটিও সত্যি; তাঁর বয়স তখন প্রায় পঞ্চান্ন বছর। ওই বয়সে পরিবার, নিজের গানের জগত, সাথে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব… সব মিলিয়ে সময় বের করা একটু কঠিনই ছিল। সমস্যার সমাধান দিলাম। দুপুরে খাবারের পর কিছুটা সময় তিনি একা থাকতেন। ওই সময়টায় তাঁর রুমে হাজির হতাম। তারপর জেদ ধরতাম লেখার বিষয়ে। তিনি কখনও বিরক্ত হতেন, কখনও হাসতেন। এরপর শুরু হতো লেখার কাজ। তিনি বলতেন, আমি লিখতাম। বাংলা খেয়াল নিয়ে তাঁর লেখা বইয়ের প্রথম খণ্ডের পাণ্ডুলিপির অর্ধেকেরও বেশিটা আমার হাতে লেখা। এক সময় তিনি নেশায় আসক্ত হলেন। লেখার নেশা। নিজেই লেখা শুরু করলেন। বাসায় লিখেন। গ্রিন রোড থেকে শিল্পকলা একাডেমিতে আসার পথে গাড়িতে বসে লেখেন। আবার অফিসে অবসর সময়ে লিখেন। এভাবেই বাংলা খেয়াল নিয়ে আজাদ ভাই তৈরি করলেন তিন খণ্ডের পাণ্ডুলিপি।

বই প্রকাশ নিয়ে আজাদ ভাই ভাবনায় পড়েছিলেন। সঙ্গীত বিষয়ক বইয়ের কদর পাঠকের কাছে খুব একটা নেই। তা আবার খেয়ালের মত শাস্ত্রীয় গানের বই। প্রকাশকরা বইটি প্রকাশ করতে গেলে দাম পড়বে অনেক। আবার শিল্পকলা একাডেমির সাথে তাঁর সংশ্লিষ্টতার জন্য তিনি সেখান থেকেও প্রকাশ করতে চাইলেন না। পরে আমরা আলোচনা করে ঠিক করলাম, বাংলা একাডেমির সাথে এ নিয়ে কথা বলা যায়। তারা প্রকাশ করলে বইয়ের ছাপা ও বাঁধাইয়ের মান যেমন ভাল হবে, একই সাথে দামও হবে খুবই কম। কারণ, সব বইয়েই সাবসিডি দেয়া হয়। সে অনুযায়ী বাংলা একাডেমির সাথে কথা বলে বইটি সেখান থেকে প্রকাশ করা হয়। বাংলা একাডেমি বইটির দুইটি খণ্ড প্রকাশ করে।

১৯৯৬ সালের কথা। অস্কার অ্যাওয়ার্ড বিতরণের দিন ঢাকায় চলচ্চিত্র শিল্পীরা জাতীয় জাদুঘরের সামনে অনুষ্ঠান করবেন। অনুষ্ঠানের আয়োজক বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি। সন্ধ্যার অনুষ্ঠান, রাত ১০টা বাজে। অনুষ্ঠান কখন শুরু হবে কেউ জানেন না। আমাদের অফিসে ফিরে নিউজ জমা দেয়ার তাড়া ছিল। বিষয়টি শিল্পী সমিতির নেতাদের দৃষ্টিতে আনা হলো। তারা আমাদের কথাতো শুনলেনই না, বরং চরম দুর্ব্যবহার করলেন। আমরা ফিরে এলাম সবাই।

পরদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি-তে কয়েকজন একত্রিত হয়ে একটি মিটিং ডাকলাম। টিএসসি’র তিন তলায় ‘সড়ক’ এর রুমে গঠিত হলো কালচারাল রিপোর্টার্স ফোরাম। ফোরামের সভাপতি রেজানুর রহমান। সহ-সভাপতি মাহমুদা চৌধুরী ও আশীষ-উর রহমান শুভ। সাধারণ সম্পাদক নৃপেণ বিশ্বাস। সহ-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব মতিন। সাংগঠনিক সম্পাদক, আমি রহমান মুস্তাফিজ।

শুরু হলো আমাদের পথচলা। কমিটির দ্বিতীয় মিটিংয়ে প্রস্তাব করলাম রিপোর্টারদের জন্য একটি কর্মশালা আয়োজনের। কারণ, কালচারাল নিউজের জন্য রিপোর্টারের নাচ, গান, চিত্রকলা ও অভিনয়ের মৌলিক বিষয়গুলো জানা জরুরী। তা না জানলে ইনডেপথ স্টোরি করা যায় না। সবাই একমত হলেন। সভাপতি রেজানুর রহমান ভাই বললেন, তোমার বন্ধুর (আজাদ রহমান) সাথে কথা বলে কর্মশালার আয়োজন করো।

পরের দিন আজাদ ভাইকে বললাম আমাদের পরিকল্পনার কথা। তিনি সাথে সাথে জনসংযোগ কর্মকর্তা আ বা ম ছালাউদ্দিনকে (বর্তমানে অবসরে আছেন) ডেকে পাঠালেন। নির্দেশ দিলেন কর্মশালা আয়োজনের প্রস্তুতি নিতে। পরের সপ্তাহেই শুরু হলো কর্মশালা। আজাদ ভাই সাংবাদিকদের জন্য চার মাস মেয়াদি কর্মশালার আয়োজন করলেন। প্রতি শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ক্লাস হতো। মাঝে ১০ মিনিট বিরতি দিয়ে টানা তিন ঘন্টা ক্লাস নিতেন এক জন রিসোর্স পারসন।

সেই কর্মশালায় গানের ক্লাস নিয়েছিলেন আজাদ ভাই নিজে। আরও ছিলেন সুবীর নন্দী দাদা ও আরও দুই জন। নাচের ক্লাস নিয়েছিলেন রওশন জামিল (প্রয়াত), রাহিজা খানম ঝুনু ও জিনাত বরকতউল্লাহ। চিত্রকলার ক্লাস নিয়েছিলেন কাইয়ুম চৌধুরী ও হাশেম খান। অভিনয়ের ক্লাস নিয়েছিলেন ডক্টর ইনামুল হক, সৈয়দ হাসান ইমাম ও একাডেমির সে সময়কার উপ-পরিচালক এসএম মহসীন।

সাংবাদিকের পেশাগত দক্ষতা অর্জনে আজাদ ভাই যে ভূমিকা রেখেছিলেন এমনটি আর কোনদিন হয়নি। এত দীর্ঘ মেয়াদি প্রশিক্ষণ এই একবারই হয়েছিল বাংলাদেশে।

আজাদ ভাই ছিলেন অসম্ভব জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী, গীতিকার, সুরকার ও পরিচালক। শৈশব থেকেই ছিল গানের প্রতি ঝোঁক। পড়াশোনা করেছেন রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিষয় ছিল ‘খেয়াল’।

কলকাতার জনপ্রিয় সিনেমা ‘মিস প্রিয়ংবদা’র সঙ্গীত পরিচালনার মধ্য দিয়ে তিনি চলচিত্রাঙ্গনের সাথে যুক্ত হন। এই ছবিতে তাঁর পরিচালনায় গান গেয়েছিলেন মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়, প্রতিমা বন্দোপাধ্যায় ও আরতি মুখোপাধ্যায়।

বাংলাদেশে তাঁর প্রথম সঙ্গীত পরিচালনা বাবুল চৌধুরীর ‘আগন্তুক’ চলচ্চিত্রে। এরপর বাদী থেকে বেগম, এপার এপার, পাগলা রাজা, অনন্ত প্রেম, আমার সংসার, মায়ার সংসার, দস্যু বনহুর, ডুমুরের ফুল, মাসুদ রানা, অনন্ত প্রেম-সহ অসংখ্য ছবিতে তিনি সঙ্গীত পরিচালক, গীতিকার, সুরকার বা শিল্পী হিসেবে কাজ করেছেন।

https://www.youtube.com/watch?v=dcbd5H2z8_Q

জন্ম আমার ধন্য হলো মা গো; ডোরা কাটা দাগ দেখে বাঘ চেনা যায়; পিচ ঢালা এ পথটারে ভালোবেসেছি; ভালোবাসার মূল্য কতো; ও চোখে চোখ পড়েছে যখনই; মনেরও রঙে রাঙাবো, এক বুক জ্বালা নিয়ে বন্ধু তুমি’র মত অসংখ্য জনপ্রিয় গানের সাথে জড়িয়ে আছে আজাদ রহমানের নাম।

গোপন কথা নামে তিনি স্বাস্থ্য সচেতনা বিষয়ক একটি চলচ্চিত্রও নির্মাণ করেছিলেন।

আজাদ ভাই অসাধারণ পিয়ানো বাজাতেন। সুযোগ পেলে তাঁর কণ্ঠে খেয়াল আর ঠুমরি যেমন শুনতাম, পিয়ানো দেখলে আজাদ ভাইকে বাজাতেই হতো। আজাদ ভাই হেসে বলতেন, আমাকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেয়ার জন্য তোমার মত নাছোড়বান্দা একটাই যথেষ্ট।

আজাদ ভাইদের গ্রিন রোডের জমি ডেভেলপারকে দেয়া হয়েছিল। সেখানে বিশাল ভবন গড়ে উঠেছে। একই ভবনে তখন বাসা আর স্টুডিও। আগের বাসা ভেঙে নতুন ভবন করতে অনেকটা সময় লেগে গেল। এই সময়ে পেশাগত কারণে আমিও ব্যস্ত হয়ে পড়ি। যোগাযোগটা কমে যায় অনেকখানিই। তাছাড়া বয়সের কারণে আজাদ ভাইয়ের শরীরটাও ভাল ছিল না। আড্ডা দিতে চাইতেন। কিন্তু কথা বলতে কষ্ট হতো তাঁর।

নতুন বাসায় কয়েকবার গিয়েছি। সবশেষ বার মনে হয় দুই কি তিন বছর আগে। দেখা হতো নানান অনুষ্ঠানে। এ বছর একবারই দেখা হয়েছে। ভারতের প্রজাতন্দ্র দিবসের অনুষ্ঠানে শেষ দেখা। খুব বেশিক্ষণ ছিলেন না। সবমিলিয়ে হয়তো আধা ঘন্টা ছিলেন। এর মধ্যে আমার সাথেই গল্প করে কাটালেন প্রায় ১০ মিনিট। ওষুধ খাওয়ার সময় যেন পেরিয়ে না যায় তাই দ্রুতই বাসায় ফিরলেন। সাথে ছিলেন ভাবী, বাংলা গানের আরেক কিংবদন্তী শিল্পী সেলিনা আজাদ।

আজাদ ভাই আজ চলে গেলেন। ভীষণ মিস করবো অসাধারণ বন্ধুভাবাপন্ন মানুষটিকে। ১৯৪৪ সালের পয়লা জানুয়ারি বর্ধমান জেলায় যে জীবনের শুরু, তার সমাপ্তি ঘটলো ২০২০ সালের ১৬ মে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *