গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতির দাবি ফ্রান্স, মিশর ও জর্ডানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ফিলিস্তিনের গাজায় অবিরাম ভয়াবহ হামলা চালাচ্ছে ইসরাইল। বর্বর এই আক্রমণের জেরে ইসরাইলের বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে বাড়ছে ক্ষোভ। এ অবস্থায় গাজা উপত্যকায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়েছে ফ্রান্স, মিশর ও জর্ডান। কায়রোতে বৈঠকের পর তারা এ দাবি জানান।

রোববার (৩১ মার্চ) এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিশর, ফ্রান্স ও জর্ডানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা গাজায় ‘অবিলম্বে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি’ এবং হামাসের হাতে আটক সব বন্দিকে মুক্তি দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। শনিবার মিশরের রাজধানী কায়রোতে তিন কূটনীতিকের বৈঠকের পর এ আবেদন জানানো হয়।

এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকের পর এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বক্তৃতা দেন ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্টিফেন সেজোর্নও। তিনি বলেন, তার সরকার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধের ‘রাজনৈতিক’ নিষ্পত্তির জন্য একটি খসড়া প্রস্তাব পেশ করবে।

তিনি আরও বলেন, সেই প্রস্তাবে ইসরাইলি-ফিলিস্তিন সংঘাত নিরসনে ‘দুই-রাষ্ট্র সমাধানের সব মানদণ্ড’ অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

মূলত ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংকট নিরসনে দীর্ঘকাল ধরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দুটি পৃথক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয়টিকে সমর্থন করে এলেও প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ইসরাইলি সরকার-এর বিরোধিতা করছে।

এদিকে ইরানসমর্থিত ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী ইসলামিক জিহাদ ইসরাইলের বিরুদ্ধে বিজয়ের অঙ্গীকার করেছে বলে জানিয়েছে আলজাজিরা। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ইসলামিক জিহাদের নেতা তেহরানে আলোচনার জন্য ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে দেখা করেছেন।

জিয়াদ আল-নাখালাহ আত্মবিশ্বাসের সাথে জানিয়েছেন, তার দল গাজায় ‘যুদ্ধে বিজয়ী’ হবে এবং ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থনের জন্য ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমিরাবদুল্লাহিয়ানকে তিনি ধন্যবাদও জানিয়েছেন বলে দেশটির সরকারি বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে।

আল-নাখালাহকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সক্রিয় কূটনীতি ফিলিস্তিনি প্রতিরোধের অবস্থানকে দৃঢ় করার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করেছে।

যুদ্ধ/এমএএম

আরও খবর পড়তে: artnewsbd.com

আর্ট নিউজ ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে: ARTNews BD

https://www.youtube.com/channel/UCC2oLwZJYHIEygcbPX3OsWQ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *