আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইউরোপের দেশ চেক প্রজাতন্ত্রের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরও অন্তত ২৫ জন। নিহতদের মধ্যে হামলাকারী ও তার বাবাও রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার রাতে দেশটির রাজধানী প্রাগের চার্লস ইউনিভার্সিটিতে ভয়াবহ এ বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটে। খবর: দ্য গার্ডিয়ান।
এর আগে দেশটিতে একক বন্দুকধারীর হামলায় এত হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তাই এটিকে আধুনিক চেক প্রজাতন্ত্রের সবচেয়ে ভয়াবহ বন্দুক হামলা বলে বিবেচনা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় ২৩ ডিসেম্বর একদিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট পিতর পাভেল।
দেশটির পুলিশ প্রধান মার্টিন ভন্ড্রাসেক জানান, খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ। বিশ্ববিদ্যালয়সহ আশপাশের এলাকা ঘিরে ফেলে শুরু হয় ব্যাপক অভিযান। পরে ইউনিভার্সিটির ভেতরে অস্ত্রের একটি বড় মজুত আবিষ্কার করে পুলিশ।
শুক্রবার সকালে বন্দুকধারীর হোস্টউন এলাকার বাড়ি থেকে তার বাবাকেও মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
হামলাকারী চার্লস বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের একজন শিক্ষার্থী বলে জানিয়েছে পুলিশ। তিনি বৃহস্পতিবার রাতে আত্মহত্যা করার উদ্দেশে নিয়ে রাজধানীর বাইরে থেকে প্রাগে এসেছিলেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয় ভবনের চতুর্থ তলা থেকে গুলিবর্ষণ শুরু করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, বন্দুকধারী সম্ভবত ওই ১৪ জনকে হত্যার পর নিজেও আত্মহত্যা করেছেন। তবে তিনি পুলিশের পাল্টা গুলিতে নিহত হয়েছে কি না সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভন্ড্রাসেক জানিয়েছেন, বন্দুকধারী ওই শিক্ষার্থী খুবই মেধাবী ছিলেন ও তার বিরুদ্ধে কোনও অপরাধমূলক রেকর্ড নেই। কিন্তু ঠিক কী কারণে তিনি এমন কাজ করেছেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, তারা অসমর্থিত সূত্রে জানতে পেয়েছে যে রাশিয়ার একটি সন্ত্রাসী হামলায় অনুপ্রাণিত হয়ে ওই শিক্ষার্থী এই হামলা চালিয়েছে।
পুলিশ প্রধান ভন্ড্রাসেক জানিয়েছেন, বন্দুকধারী শিক্ষার্থীর কাছে বেশ কয়েকটি বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। হত্যাকাণ্ডটি পূর্ব পরিকল্পিত বলে মনে হচ্ছে। যার শুরুটা হয়েছিল ক্লাদনো অঞ্চলে ও শেষ হয়েছে প্রাগে।
এদিকে, এ ঘটনার পরে এর আগে ঘটে যাওয়া আরেকটি হত্যাকাণ্ডের জন্য এই শিক্ষার্থীকেই সন্দেহ করছে পুলিশ।
বন্দুক হামলা/এমএএম
আরও খবর পড়তে: artnewsbd.com
আর্ট নিউজ ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে: ARTNews BD
















Leave a Reply