১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ (নিউজ ডেস্ক): নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, নদীর সীমানা নির্ধারণ করে যে খুঁটি বসানো হয়েছে, সেই সীমানার মধ্যে কারও স্থাপনা থাকলে তা অবশ্যই সরাতে হবে।
বুধবার সচিবালয়ে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএসআরএফ) সংলাপে তিনি এ কথা বলেন। বিএসআরএফ এর সভাপতি তপন বিশ্বাস এবং সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হক সংলাপে উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কিছু ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান নদীর সীমানার মধ্যে থাকায় সেগুলোকে কিছুটা সুযোগ দেয়া হয়েছে। এই সুযোগ তারা কাজে না লাগালে কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হবে।
তিনি বলেন, নদীর সীমানা পিলারের মধ্যে যেসব প্রতিষ্ঠান রয়েছে ভবিষ্যতে তাদের প্রতিষ্ঠান সরাতে হবে। আমরা পিলার দিচ্ছি। পিলার দেয়ার ক্ষেত্রে কোনও কম্প্রোমাইজ করা হয়নি। কাজ করতে অনেক চ্যালেঞ্জ থাকে। আমাদের সদিচ্ছা, সাহস ও প্রেরণা আছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, নদীতে থাকা এসব প্রতিষ্ঠান হঠাৎ বন্ধ করে দিলে তারা যেসব জিনিস উৎপাদন করে সেসবের দাম বেড়ে যাবে। তার মানে এই না আমরা তাদের সাথে কম্প্রোমাইজ করেছি। নারায়ণগঞ্জে অনেকগুলো সিক ইন্ড্রাস্স্ট্রি ছিল, যেগুলো অল্পদামে বিনিয়োগকারীদের কাছে ছেড়ে দেয়া হয়েছিল। এখন সেগুলো আবাসিক প্লটে পরিণত করা হয়েছে। যে মানুষটি সেখানে ফ্ল্যাট কিনেছেন তার কি অপরাধ? এসব দেখা রাষ্ট্রের দায়িত্ব ছিল। সেই দায়িত্ব রাষ্ট্র পালন করেনি বলে এই সরকারের ওপর এখন বিরাট বোঝা পড়েছে বলে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী। বলেন, আমরা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি না করে ধারাবাহিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করছি। কোনও কম্প্রোমাইজ করছি না।
নৌপথগুলো সচল করতে বিনিয়োগ করা হয়েছে জানিয়ে খালিদ মাহমুদ বলেন, ড্রেজিং হচ্ছে। এর সুফলটাও আমরা পেতে শুরু করেছি। অতি বৃষ্টি ও উজান থেকে আসা পানি এবার বন্যায় রূপ নেয়নি। পানির প্রবাহ নিশ্চিত হয়েছে। ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথ তৈরি ও নদীকে ঘিরে সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারলে বন্যা ও নদী ভাঙন থেকে রক্ষা পাব।
তিনি বলেন, নদী শাসন নয়, সঠিকভাবে নদী ব্যবস্থাপনা করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বিআইডব্লিউটিসি ২০২৩ সালের মধ্যে ২৮০ কোটি টাকায় তিনটি ক্রুজ শিপ সংগ্রহ করবে। এসব শিপে থ্রিডি সিনেমা হল, জিম, সুইমিংপুল, হেলিপ্যাডসহ সব ধরনের সুবিধা থাকবে।
খালিদ মাহমুদ চৌধুরী/এসকেএম
















Leave a Reply