০৫ নভেম্বর ২০২০ (নিউজ ডেস্ক): মা ইলিশ রক্ষায় মাছ ধরার ওপর ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে। বুধবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে শুরু হয়েছে নিষেধাজ্ঞা থাকা নদীগুলোতে মাছ ধরা।
জানা গেছে, এই ৩ সপ্তাহে শুধু ভোলাতেই ৬০৬ জেলের জেল-জরিমানা করা হয়েছে। এ সময়ে ৩৫৫টি অভিযান ও ১৭৯টি মোবাইল কোর্টের মাধ্যেমে এসব দণ্ড দেয়া হয়। এসব অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৩’শ ৮৫ জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। ২’শ ২১ জেলের ১০ লাখ ৩১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। নির্ধারিত সময়ে প্রায় দেড় কোটি টাকা মূল্যের ৬ লাখ ২১ হাজার মিটার জাল উদ্ধার করা হয়। যা পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়েছে। মৎস্য বিভাগের আয়োজনে কোষ্টগার্ড, নৌ-বাহিনী, পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন এসব অভিযান পরিচালনা করে। খবর: বাসস।
ভোলার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস এম আজাহারুল ইসলাম জানিয়েছেন, ইলিশ রক্ষায় অন্যান্য যেকোন সময়ের চেয়ে এ বছরের অভিযান অনেকটাই সফল হয়েছে। সরকারের ব্যাপক প্রচার-প্রচারণার ফলে নদীতে জেলেদের উপস্থিতি কম ছিলো। তারপরেও যারা নদীতে নেমেছে তাদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
তিনি বলেন, ২২ দিনের অভিযানে মোট ৩৪৯টি মামলা দায়ের হয়েছে। এছাড়া বেশকিছু মাছ ধরার নৌকা-ট্রলার জব্দ করা হয়। যা পরে নিলামে তুলে ৫ লাখ ৫৪ হাজার টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেয়া হয়েছে। আর ইলিশ জব্দ করা হয় প্রায় ২ হাজার কেজি। যা অসহায়দের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে।
এবারের প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়তে পারায় ইলিশ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশা করেন জেলার প্রধান এ মৎস্য কর্মকর্তা।
উল্লেখ্য, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম নির্বিঘ্ন করতে সরকার ১৪ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ইলিশ শিকার, পরিবহন, বিক্রি, প্রদর্শন ও মজুত নিষিদ্ধ করে।
ইলিশ/এএমএম/কিউটি
















Leave a Reply