২ মে ২০২১ (আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ভারত): তীরে এসে তরী ডুবলো দিদির। ১৭ রাউন্ড পর্যন্ত গণনায় এগিয়ে ছিলেন তিনি। এর পরেই জানা গেল, শুভেন্দু বাবুর কাছে ধরাশায়ী হয়েছেন লৌহমানবী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে স্বভাব অনুযায়ী পরাজয় মানতে রাজী নন তিনি। সাফ বলে দিয়েছেন, রায় ঘোষণার পর কারচুপি হয়েছে। দ্বারস্থ হবেন আদালতের।
কলিকাতার আনন্দবাজার কিছুক্ষণ আগে জানিয়েছে, নির্বাচন কমিশন এ নিয়ে এখনও কোন প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
পত্রিকাটি বলছে, ১৭ রাউন্ডে গননা শেষে খবর এসেছিল মমতাজী ভোটের লড়াইয়ে এগিয়ে। সন্ধ্যা গড়াতেই হাওয়া উল্টো দিকে বইতে থাকে। বলা হলো, সার্ভার জটিলতায় কিছু জানা যাচ্ছে না। এরপর খবর এলো, শুভেন্দু অধিকারী কিস্তিমাত করেছেন। ভোটের ব্যবধান ১ হাজার ৬২২টি।
শুভেন্দু অধিকারী আনন্দবাজার অনলাইনকে ফোনে জানিয়েছেন, ১৬শ’ ২২ ভোটে জিতেছি।
তবে পোস্টাল ব্যালটের হিসেব যদি পাশে সরিয়ে রাখা হয়, তবে ব্যবধানটা বিস্তর। সেখানে শুভেন্দু এগিয়ে ৯ হাজার ৭৮৭ ভোটে। এ খবরের পর মমতা ব্যানার্জি সাংবাদিকদের জানান, তিনি নন্দীগ্রামে হেরে গেছেন।
তৃণমূলের প্রাণভোমরা বলেন, আমার কাছে অভিযোগ রয়েছে, রায় ঘোষণার পর কারচুপি হয়েছে। নন্দীগ্রাম যা রায় দিবে তা মাথা পেতে নেব।
নিজে জয়ের মুখ দেখেননি। তবে দল এগিয়ে আছে। সে কারণে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ভোটারদের। বলেছেন, বাংলার জয়ের জন্য সবাইকে অভিনন্দন। বাংলার জয়, মানুষের জয়। বাংলা আজ ভারতকে বাঁচিয়েছে।
এক সময় মমতার ডান হাত হিসেবে পরিচিত শুভেন্দু কাছে পরাজয়টা মানতে কষ্টই হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা মমতা ব্যানার্জীর। নন্দীগ্রাম ইস্যুকে কেন্দ্র করে বাম দূর্গ পশ্চিম বাংলাকে নিজের ঘাঁটি গড়তে এই শুভেন্দু ছিলেন মমতা ব্যানার্জীর সিপাহশালার।
মমতা ধরাশায়ী/আরএম/রমু
















Leave a Reply