বাল্কহেডের ধাক্কায় সেতু ভেঙে নদীতে

নিউজ ডেস্ক: কুমিল্লার দাউদকান্দিতে বাল্কহেডের ধাক্কায় একটি সেতু ভেঙে পড়েছে নদীতে। তবে সেতুর একটি অংশ বাল্কহেডের ওপর পড়লে এ ঘটনায় কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। দুর্ঘটনার পর ওই বাল্কহেডের চালক ও তার সহকারীরা সাঁতরে তীরে উঠে গেছেন।

বৃহস্পতিবার রাত পৌনে তিনটার দিকে উপজেলার ছান্দ্রা গ্রামের কাছে কালাডুমুর নদে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় লোকজন জানান, গতকাল রাত পৌনে তিনটার দিকে হঠাৎ বিকট শব্দে তাদের ঘুম ভেঙে যায়। শব্দ শুনে বাইরে এসে দেখেন, কালাডুমুর নদের ওপর সেতুর মাঝখানের একটি অংশ ভেঙে নিচে পড়ে গেছে। এ সময় স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় বাল্কহেডের চালক ও চালকের তিন সহকারীকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার পর থেকে ওই সেতু দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এদিকে আজ শুক্রবার বেলা তিনটা পর্যন্ত সেতুর ভাঙা অংশ বাল্কহেডের ওপর ও একাংশ নদীতে ডুবে আছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাল্কহেড ও সেতুটি উদ্ধারে কোনও পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।

জানা যায়, প্রায় ১০ বছর আগে কালাডুমুর নদের ওপর সেতুটি নির্মাণ করা হয়। গতকাল রাতে মেসার্স রায়হান ইসরাত পরিবহনের একটি বাল্কহেডটি ইলিয়টগঞ্জ এলাকায় বালু ফেলে ফিরছিল। খালি বাল্কহেডটি কালাডুমুর-গোমতী-মেঘনা নদী হয়ে গজারিয়ায় যাওয়ার পথে ছান্দ্রা গ্রামের কাছে পৌঁছালে বাল্কহেডটি সেতুর একটি পিলারে ধাক্কা দেয়। এতে সেতুর মাঝখানের একটি অংশ নদে পড়ে যায়।

জিংলাতলী ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মোহাম্মদ জাকির হোসেন বলেন, আপাতত বাল্কহেডটি উদ্ধারের চেষ্টা করা হবে। পরে লোকজনের চলাচলের জন্য বিকল্প সেতু নির্মাণের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

ফায়ার সার্ভিস দাউদকান্দি ইউনিটের স্টেশনমাস্টার মোহাম্মদ রাসেল বলেন, খবর পাওয়ার সাথে সাথে তারা সেতু এলাকায় গিয়েছিলেন। কিন্তু বাল্কহেডটি সেতু ভেঙে আটকে থাকায় এবং লোকজন হতাহত না হওয়ায় ফায়ার সার্ভিসের কোনও সহযোগিতার প্রয়োজন হয়নি। তাই ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ফিরে এসেছেন।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) দাউদকান্দি উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ আফসার হোসেন খন্দকার বলেন, সরেজমিনে সেতু এলাকা পরিদর্শন করে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

দাউদকান্দি/এসকেএম

আরও খবর পড়তে: artnewsbd.com

আর্ট নিউজ ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে: ARTNews BD

https://www.youtube.com/channel/UCC2oLwZJYHIEygcbPX3OsWQ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *