২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১ (বিনোদন ডেস্ক): অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান মারা গেছেন। শনিবার সকাল সাড়ে আটটায় রাজধানীর সূত্রাপুরে নিজ বাসায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন প্রবীণ এ অভিনেতা। এটি এম শামসুজ্জামান স্ত্রী, তিন মেয়ে ও এক ছেলে রেখে গেছেন।
গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার মেয়ে কোয়েল আহমেদ।
এরআগে বুধবার শ্বাসকষ্ট শুরু হলে এটিএম শামসুজ্জামানকে রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ডক্টর আতাউর রহমান খানের তত্ত্বাবধানে ছিলেন তিনি। কিন্তু হাসপাতালে থাকতে না চাওয়ায় শুক্রবার বিকালে তাকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়।
এর আগেও বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে কয়েক মাস এ হাসপাতালে কাটাতে হয়েছিলে তাকে। অসুস্থতার কারণে দীর্ঘদিন যাবৎ অভিনয় থেকেও দূরে ছিলেন তিনি।
১৯৪১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর নোয়াখালীর দৌলতপুরে নানাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন এ টি এম শামসুজ্জামান। গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার ভোলাকোটের বড়বাড়ি।
এ অভিনেতার চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় ১৯৬৮ সালে নারায়ণ ঘোষ মিতা পরিচালিত ‘এতটুকু আশা’ চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে।
অভিনয়ের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। অভিনয়ের বাইরে পরিচালক, কাহিনীকার, চিত্রনাট্যকার হিসেবেও তিনি পরিচিত।
১৯৬১ সালে পরিচালক উদয়ন চৌধুরীর ‘বিষকন্যা’ চলচ্চিত্রে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেন এটিএম শামসুজ্জামান। প্রথম কাহিনি ও চিত্রনাট্য লিখেন ‘জলছবি’ চলচ্চিত্রের জন্য। এ পর্যন্ত তিনি শতাধিক চিত্রনাট্য ও কাহিনি লিখেছেন।
প্রথম দিকে কৌতুক অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্র জীবন শুরু করেন। ১৯৭৬ সালে চলচ্চিত্রকার আমজাদ হোসেনের ‘নয়নমণি’ চলচ্চিত্রে খলনায়কের চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে আলোচনায় আসেন তিনি।
শিল্পকলায় অবদানের জন্য ২০১৫ সালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার একুশে পদক লাভ করেন এ শিল্পী।
এটিএম শামসুজ্জামান/এসকেএম
















Leave a Reply