শেখ হাসিনা আছেন বলেই পদ্মাসেতু হয়েছে

২২ জুন ২০২২ (নিউজ ডেস্ক): তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ডক্টর হাছান মাহমুদ বলেছেন, একজন শেখ হাসিনা আছেন বলেই পদ্মাসেতু হয়েছে। সঠিক রাজনৈতিক ও সাহসী নেতৃত্ব যে অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারে সেটি জাতির প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেখিয়ে দিয়েছেন।

বুধবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ‘বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে পদ্মাসেতুর অবদান’ বিষয়ক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, পদ্মাসেতু শুধুমাত্র একটি সেতু নয়, বিশ্ববেনিয়াদের বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের এবং সবার ওপরে শেখ হাসিনার সক্ষমতার প্রতীক হচ্ছে পদ্মাসেতু।

ডক্টর হাছান বলেন, যারা ষড়যন্ত্রের সাথে যুক্ত ছিল আজ তাদের কেউ কেউ নিশ্চুপ হয়ে গেছে। তাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আর কেউ কেউ সুর বদলেছেন। সরকারের ভেতর থেকেও কেউ কেউ দ্বিধান্বিত ছিলেন। সে কারণে প্রধানমন্ত্রীকে নানা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে বেগ পেতে হয়েছে।

সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ২০১১ সালে দ্বিতল সেতু নির্মাণ পরিকল্পনায় প্রায় ৩শ’ কোটি ডলারের প্রকল্প নেয়া হয়েছিল। যার মধ্যে ১২০ কোটি ডলার বিশ্বব্যাংকের কাছে চাওয়া হয়েছিল। ডলারের বর্তমান মূল্য ৯৩ দশমিক ১৩ টাকা হিসেবে ৩শ’ কোটি ডলারের মূল্য ২৮ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ ২০১১ সালে প্রাক্কলিত ব্যয়ের ডলারকে টাকায় রূপান্তর করলে দেখা যায় খরচ একই জায়গায় রয়ে গেছে। এছাড়া ষড়যন্ত্রের কারণেও নিজের টাকায় করতে গিয়ে কয়েক বছর দেরি না হলে এই খরচ আরও কম হতো।

পদ্মাসেতু নির্মাণে প্রধানমন্ত্রী অন্তত ২০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করেছেন উল্লেখ করে তুলনামূলক আর্থিক চিত্র তুলে ধরেন ডক্টর হাছান। বলেন, ১৯১০ থেকে ১৯১৫ সালের মধ্যে নির্মিত রেল সেতু হার্ডিঞ্জ ব্রিজ আজকে নির্মাণ করতে স্বর্ণমূল্য হিসেবে লাগতো ১৭ হাজার ৩৫ কোটি টাকা। হার্ডিঞ্জ ব্রিজের দৈর্ঘ্য ১ দশমিক ৮ কিলোমিটার। পদ্মাসেতুর দৈর্ঘ্য  ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার। সে হিসেবে পদ্মাসেতু নির্মাণে লাগতো ৫৮ হাজার ৭শ’ ৭৩ কোটি টাকা। পদ্মাসেতুর ওপরে চার লেনের সড়ক, নিচে রেল। অর্থাৎ এই সেতু নির্মাণে ১ লাখ হাজার কোটি টাকা লাগার কথা ছিল।

তথ্যমন্ত্রী/এসকেএম/আরএম

আরও খবর পড়তে: artnewsbd.com

আর্ট নিউজ ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে: ARTNews BD

https://www.youtube.com/channel/UCC2oLwZJYHIEygcbPX3OsWQ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *