শেখ হাসিনা গণমাধ্যমবান্ধব সরকার প্রধান

১৫ জুন ২০২১ (নিউজ ডেস্ক): মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবচেয়ে বেশি গণমাধ্যমবান্ধব সরকার প্রধান। তিনি যতটা গণমাধ্যমবান্ধব ততটা আর কেউ নন।

মঙ্গলবার রাজধানীর পল্টনে নোয়াখালী জেলা সমিতি মিলনায়তনে দৈনিক নোয়াখালী প্রতিদিন পত্রিকার নবম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের ইতিহাসে সর্বপ্রথম বেসরকারি খাতে টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয়। তার সময়ে সবচেয়ে বেশি বেসরকারি টেলিভিশন এবং সবচেয়ে বেশি সংবাদপত্র ও অনলাইন পোর্টাল অনুমোদন দেয়া হয়েছে। তার সময়ে তথ্য অধিকার আইন হয়েছে। এ আইন করে তিনি জনগণের ক্ষমতা জনগণের কাছে দিয়েছেন। শেখ হাসিনা তথ্য অধিকার আইন করে দিয়ে প্রমাণ করেছেন, কোনও তথ্য নাগরিক চাইলে তাকে দিতে হবে। তার অধিকার আছে, তিনি এ দেশের মালিক। এভাবে শেখ হাসিনা তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করেছেন। অতীতে কেউ বিপর্যস্ত সাংবাদিকদের কল্যাণে এভাবে এগিয়ে আসেন নি, যেভাবে তিনি করোনাকালে অর্থ সহায়তা দিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টে দশ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছেন। কোনও সাংবাদিকের পরিবার অসহায় অবস্থায় পড়লে তিনি পাশে দাঁড়ান।

তিনি বলেন, গণমাধ্যমকে বিকশিত হতে হবে সমাজ, রাষ্ট্র, দেশ ও মানুষের কল্যাণে। বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের বিকাশের পক্ষে। যত বেশি মত, তত বেশি পথ হবে। গণমাধ্যম যত মুক্তিচিন্তার বহিঃপ্রকাশ ঘটাবে তত বেশি আমাদের চিন্তার জগৎ উন্মোচিত হবে।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, রাষ্ট্রের জন্য গণমাধ্যমের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। কারণ গণমাধ্যম ত্রুটি-বিচ্যুতি ধরিয়ে দেয়। ফলে আমরা যারা সরকারের থাকি, রাষ্ট্রের দায়িত্বে থাকি তারা সঠিক কাজটি করার সুযোগ পাই। গণমাধ্যমে সমালোচনা যেমন থাকবে, পাশাপাাশি সরকারের উন্নয়ন ও অগ্রগতির চিত্র সামনে নিয়ে আসতে হবে। তাহলে মানুষ বুঝবে কিছু ভুল থাকলেও সরকার মূলত ভালো কাজ করে।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, সংবাদমাধ্যমে সম্পৃক্ত হওয়া মানে কঠিনকে ভালোবাসা। সাংবাদিকদের জন্য একটা কথা প্রযোজ্য সেটা হলো, ‘কঠিনেরে ভালোবাসিলাম’।

শ ম রেজাউল করিম/এসকেএম