বাংলাদেশের জন্য বড় টার্গেট

২৮ মে ২০২১ (স্পোর্টস ডেস্ক): প্রথম দুই ওয়ানডেতে জয় পেয়ে সিরিজ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে জিতে শ্রীলংকাকে হোয়াইটওয়াশের স্বাদ দিতে চান টাইগাররা। সেই লক্ষ্যে বড় চ্যালেঞ্জ ডিঙাতে হবে স্বাগতিকদের। করতে হবে ২৮৭ রান।

শুক্রবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালোই করেছিল দুই লঙ্কান ওপেনার। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ওপেনিং জুটিতে মাত্র ১১ দশমিক ২ ওবারে ৮২ রান তুলেন সফরকারীরা।

এরপর তাসকিনের জোড়া আঘাতে স্বস্তি ফিরেছে টাইগার শিবিরে। নিজের দ্বিতীয় ওভারে দ্বিতীয় ও চতুর্থ বলে ফিরিয়ে দিলেন গুনাথিলাকা ও পাথুম নিশাঙ্কাকে। ৬ উইকেটের ৪টিই নিয়েছেন তিনি। ৯ ওভারে দিয়েছেন ৪৬ রান।

তৃতীয় আঘাতও হানেন তাসকিন।  আউট করলেন কুশল মেন্ডিসকে। ভাঙলেন ৬৯ রানের জুটি। তাসকিনের তৃতীয় আঘাতটি আসে ২৬তম ওভারের দ্বিতীয় বলে।

অফ স্টাম্পের বাইরে তার বুদ্ধিদীপ্ত শর্ট অব লেংথ স্লোয়ারে উঁচিয়ে সীমানার বাইরে পাঠানোর চেষ্টা করেন কুশল মেন্ডিস।  কিন্তু  বল তার ব্যাটের কানায় লেগে যায় মিড অফে। অধিনায়ক তামিম ইকবালের হাতে ধরা পড়ে সহজেই। ৩৬ বলে ১ ছক্কায় ২২ রান করে সাজঘরে ফেরেন কুশল মেন্ডিস।

৩৯ ইনিংসে উইকেটের ফিফটি হলো তাসকিনের। এই সংস্করণে বাংলাদেশের হয়ে তার চেয়ে কম ইনিংসে ৫০ উইকেট পেয়েছেন কেবল মোস্তাফিজুর রহমান (২৭) ও আব্দুর রাজ্জাক (৩২)।

দুর্দান্ত খেলে নার্ভাস নাইনটিতে ভুগছিলেন লংকান অধিনায়ক কুশল পেরেরা। ৯৯ রানে নিশ্চিত আউট হচ্ছিলেন।

বেঁচে গেলেন ফিল্ডার রিয়াদের বদান্যতায়। ক্যাচ নিতে না পারায় উইকেট বঞ্চিত হলেন মোস্তাফিজ। ৩২তম ওভারে মোস্তাফিজের পঞ্চম বলটি ভালোভাবে খেলতে পারেননি পেরেরা। এজ হয়ে তা চলে যায় মিড অফে।  একটু দৌড়ে এসে ঝাপিয়ে বলটি তালুবন্দির চেষ্টা করেন রিয়াদ। কিন্তু পেরে ওঠেননি।

তবে পরের বার পেরেরার ক্যাচ মিস হয়নি মাহমুদউল্লাহর। সেঞ্চুরিয়ান কুশল পেরেরাকে আউট করেন পেসার শরিফুল। লঙ্কান অধিনায়ককে ১২০ রানে থামালেন তিনি।

শরিফুলের লেংথ বল উড়িয়ে মারতে গিয়ে টাইমিং ঠিকমতো করতে পারেননি পেরেরা। মিড অফ থেকে পেছনে দিকে বেশ খানিকটা দৌড়ে দুর্দান্ত ডাইভে দুই হাতে বল তালুবন্দী করেন মাহমুদউল্লাহ।

১২২ বলে ১২০ রান করে আউট হলেন পেরেরা। ধনাঞ্জয়া ডি সিলভার সঙ্গে তার জুটি শেষ হয় ৬৫ রানে।

পেরেরার পর সাকিবের ৪৩তম ওভারে রান আউট হন নিরোশান ডিকভেলা। দলে ফেরা খুব একটা সুখকর হলো না তার। ঝুঁকিপূর্ণ রান নেওয়ার চেষ্টায় শরিফুল ইসলামের সরাসরি থ্রোয়ে রান আউট হয়ে গেলেন এই ব্যাটসম্যান।

এর পর তাসকিনের চতুর্থ শিকারে পরিণত হন হাসারাঙ্গা। বাউন্ডারিতে মিরাজের হাতে ধরা পড়ার আগে ২১ বলে ১৮ রান করেন এই হার্ডহিটার।

এরপর বাকি সময়টা আর উইকেট পড়েনি।  হাফসেঞ্চুরি পূরণ করেন ধনাঞ্জয়া। ৭০ বলে ৫৫ রান করে অপরাজিত থাকেন।

ক্রিকেট/এসকেএম