তামিম শো’তে টাইগারদের সিরিজ জয়

স্পোর্টস ডেস্ক

অঘোষিত ফাইনাল। প্রথম ম্যাচটায় হেরে ব্যাকফুটে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে সিরিজে সমতা। তাই তৃতীয় তথা শেষ ম্যাচটা দুই দলের জন্যই নিয়ম রক্ষার না হয়ে রূপ নিল ফাইনালে। আইরিশদের হতাশায় ডুবিয়ে শেষ হাসিটা দুই কান ছুলো টাইগারদের। সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে আবার বিশাল কীর্তি গড়লেন ছোটো তামিম। ফিল্ডিং আর ব্যাটিংয়ে তানজিদ তামিমের ইতিহাস গড়ার দিনে বাংলাদেশের জয়টা ঠিল সময়ের ব্যাপার মাত্র। লিটন দাসের ব্যর্থতা টের পেতে দেননি তামিম।

মঙ্গলবার ২ ডিসেম্বর চট্টগ্রামে টস জেতে অতিথিরা। সিদ্ধান্ত, স্বাগতিকদের নামতে হবে ফিল্ডিংয়ে। টাইগারদের হিসেবে বোলিং ও ফিল্ডিংয়ে পুরো ২০ ওভার খেলতে পারেনি আইরশরা। এক বল বাকি থাকতেই সাজঘরে ফিরতে হয় সবাইকে।

১১৮ রানের মামুলি টার্গেটে ক্রিজে যান তানজিদ তামিম ও সাইফ হাসান।ওপেনিং জুটির সংগ্রহ ৩৮ রান। সাজঘরে ফেরার আগে ১৪ বলে ১৯ রান করেন সাইফ। ওয়ান ডাউনে অধিনায়ক খেললেন দায়িত্বহীন ইনিংস। ৬ রানে লিটন দাসের সংগ্রহ ৭ রান।

তামিম ও পারভেজ ইমনের তৃতীয় উইকেট জুটি অবিচ্ছিন্ন থেকে দলকে পৌঁছে দেন জয়ের বন্দরে। ৩৬ বলে তামিমের সংগ্রহ হার না মানা ৫৫ রান। অপর প্রান্তে থাকা ইমন ২৬ বল মোকাবেলায় করেন অপরাজিত ৩৩ রান। ১৩ ওভার ৪ বল খরচায় সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচটি জিততে বাংলাদেশকে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি।

এর আগে আইরিশ ইনিংসে তানজিদ তামিম গড়েছেন নতুন ইতিহাস। টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যে তামিম প্রথম খেলোয়াড় যিনি ২০ ওভারের আন্তর্জাতিক খেলায় একাই লুফেছেন পাঁচটি ক্যাচ।

নিজেদের প্রথম ওভারে মেহেদী হাসানকে তুলোধুনো করে ১৩ রান তুলে নেয় আইরিশরা। তাদের শিবিরে প্রথম ভাঙন ধরান শরিফুল ইসলাম। আউট হওয়ার আগে দুই বাউন্ডারি ও এক ছক্কায় টিম টেক্টর করেন ১৭ রান।

পরের ওভারের শেষ বলে সিঙ্গেল নিয়ে দলকে পঞ্চাশে পৌঁছে দেন হ্যারি টেক্টর। প্রথম পাওয়ার প্লে-র শেষ ওভারে কাটার মাস্টার এক রান দিয়ে এক উইকেট তুলে নেন। ওভারের দ্বিতীয় বলে হ্যারি টেক্টর রক্ষণাত্মক ভঙ্গীতে ব্যাট চালান। বল ব্যাটে লেগে স্ট্যাম্পে যায়। হ্যারি পা দিয়ে বল সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেন। কাজ হয়নি তাতে। বল বেল উপড়ে ফেলতে দ্বিধা করেনি। স্কোর বোর্ডে ৫ রান তুলে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান হ্যারি। দলীয় সংগ্রহ তখন ২ উইকেট হারিয়ে ৫১ রান। মিডল অর্ডারের ব্যর্থতায় বড় পুঁজি পায়নি অতিথিরা। একাই লড়াই জারি রেখেছিলেন পল স্টার্লিং। দলীয় সর্বোচ্চ ৩৮ রান এসেছে তার ব্যাট থেকেই।

মুস্তাফিজ ও রিশাদ শিকার করেছেন তিনটি করে উইকেট। শরিফুলের সংগ্রহ দুই। আর একটি করে উইকেট নিয়েছেন মেহেদি ও সাইফুদ্দীন। দুই ওভারে ৮ রান দিয়ে উইকেট শূন্য থেকেছেন সাইফ। ১৯ দশমিক ৫ ওভারে ১১৭ রানে আইরিশদের রানের চাকা থামিয়ে দেন বাংলাদেশি বোলাররা।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট/এএমএম/কিউটি

আরও খবর পড়তে:  NRB365.com

আর্ট নিউজ ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে: ART News BD

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *