নিউজ ডেস্ক: ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে বরিশালে রোববার সকাল থেকে ঝড়োহাওয়া বইছে। গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি আকাশ মেঘাচ্ছন্ন রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ইতোমধ্যে নৌ ও আকাশপথে যান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
ক্ষয়ক্ষতি হ্রাসে ৫৪১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রেখেছে জেলা প্রশাসন। দুর্যোগকালীন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে বরিশাল বিভাগে ৪৭২টি মেডিকেল টিম গঠন করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। জনসাধারণকে সতর্ক থাকার ঘোষণা দিয়ে মাইকিং শুরু করেছেন রেডক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবকরা।
বরিশাল আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক আবদুল কুদ্দুস বলেন, সমুদ্রবন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত ও নদী বন্দরে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। রোববার সকাল থেকে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি হলেও অপরিমাপযোগ্য।
তবে বরিশালে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ২০ নটিক্যাল মাইল। ঘূর্ণিঝড় যত নিকটবর্তী হচ্ছে এর গতি আরও বাড়ছে। রোববার সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাতের যেকোনো সময় ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানতে পারে।
বরিশাল বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক সিরাজুল ইসলাম বলেন, রোববার বরিশাল থেকে একটি ফ্লাইট ছিল। আবহাওয়া অনুকূল না থাকায় সেটি বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া বিমানবন্দরে সব বিমান ওঠানামাও স্থগিত করা হয়েছে। আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুনরায় ফ্লাইট চালু করা হবে।
বিআইডব্লিউটিএর উপ-পরিচালক ও বরিশাল নদীবন্দর কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাক্তার শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, দুর্যোগকালীন ও পরবর্তী সময়ে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসাসেবা প্রদান করতে ৪৭০-৪৭২টির মতো মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে।
বরিশাল জেলা প্রশাসক শহিদুল ইসলাম বলেন, জেলার ৫৪১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে সেখানে মানুষ আশ্রয় নিতে পারবেন। পাশাপাশি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তিগত বহুতল ভবন, অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকেও আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে। সিপিপি, রেড ক্রিসেন্টসহ সব স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মাঠে কাজ শুরু করেছে।
বরিশাল/এমএএম
আরও খবর পড়তে: artnewsbd.com
আর্ট নিউজ ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে: ARTNews BD
















Leave a Reply