শেষের আগেই সিরিজ জয়

২২ জানুয়ারি ২০২১ (স্পোর্টস ডেস্ক): দশ মাস পর মাঠে নেমেই টাইগাররা বাজিমাৎ করেছে। এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতে নিল তামিম অ্যান্ড গং। ১৪৮ রানের মামুলি টার্গেট তাড়া করে জিতে নিয়েছে দ্বিতীয় ম্যাচও। ১৬ দশমিক ৪ ওভার হাতে রেখেই পৌঁছে গেছে জয়ের বন্দরে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওডিআই সিরিজে টানা দুই ম্যাচ জিতলো টিম বাংলাদেশ। পরের ম্যাচ জিতে ক্যারিবীয়দের বাংলা ওয়াশের অপেক্ষা তামিম, মুশফিক, সাকিব, রিয়াদদের। অন্যদিকে, রুবেল আর ফিজ এ ম্যাচেও বিগ বস ম্যাশের অভাব বুঝতে দেননি।

শুক্রবার, দিনের শুরুটা ছিল ক্যারিবীয়দের। টস ভাগ্য তাদেরই। কুয়াশায় ভেজা পিচ আর আউটফিল্ড। বল তুলে নিতে হলো স্বাগতিকদের। তবে ক্যারিবীয় অধিনায়কের সিদ্ধান্তকে ভুল প্রমাণ করলেন বাংলাদেশের বোলাররা।

সহজ টার্গেট তাড়া করতে নেমে দলীয় ৩০ রানে ফেরেন লিটন কুমার দাস। এলবিডব্লিউর ফাঁদে পরেন এ ওপেনার। আকিল হোসেনের বলে আউট হওয়ার আগে ২৪ বলে ২২ রান করেন। এতে বল বাউন্ডারি ছাড়া করেন ৪ বার।

ওয়ান ডাউনে নামা নাজমুল হোসেন শান্ত শুরুটা দেখে-শুনে করলেও খুব বেশি দূর এগুতে পারেননি। দারুণ এক ক্যাচে তাকে প্যাভেলিয়নে ফেরান ওতলি। জেসন মোহাম্মেদের বল ওভার দ্য টপ খেলতে গিয়ে ২২ রানেই বিদায় নেন।

চার নাম্বারে নেমে সাকিব জুটি বাঁধেন তামিমের সাথে। দুই বন্ধু সচল রাখেন রানের চাকা।

আগের ম্যাচে ডাউন দ্য উইকেটে খেলতে গিয়ে ৬ রানের জন্য ফিফটি মিস করেন তামিম ইকবাল। এদিন দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ফিফটির পর ক্যাচ তুলে দিয়ে সাজঘরে ফেরেন দলীয় অধিনায়ক। তার আগে ৭৬ বলে তিন চার ও এক ছক্কায় ৫০ রান করেন।

দলীয় ১০৯ রানে তিন উইকেট হারানোর পর দলের হাল ধরেন সাকিব-মুশফিক। চতুর্থ উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ৪০ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন তারা। ৭ উইকেটের জয়ে সাকিবের অবদান হার না মানা ৪৩ রান। মিস্টার ডিপেন্ডেবল মুশিও অপরাজিত থাকেন ৯ রানে।

এর আগে, মুস্তাফিজের গতির সাথে সাকিব আর মিরাজের ঘূর্ণিতে দিশেহারা অতিথিরা। ৩৮ বল হাতে রেখে ১৪৮ রানেই গুটিয়ে যায় ক্যারিবীয়দের ইনিংস। সর্বোচ্চ ৪১ রান পাওয়েলের। ১ ছক্কা আর ২ চারে সাজানো ইনিংসে বলের মোকাবেলা ৬৬টি।

বাকিরা ছিলেন আসা-যাওয়ার মিছিলে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ওতলির। ৪৪ বলের ইনিংসে এক ছক্কা আর দুই বাউন্ডারি।

ছয় জন দেখা পাননি দুই অংকের রান। এর মধ্যে কাইল মেয়ারস ৯ বল মোকাবেলায় সাজঘরে ফেরেন রানের খাতা না খুলেই। নাজমুল হোসেন শান্তর দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ে তাকে আউট করেন উইকেটের পিছনে থাকা মুশি।

টাইগারদের হয়ে মেহেদী হাসান ৪ উইকেট নেন ২৫ রান খরচায়। দুইটি করে উইকেট নেন ফিজ আর সাকিব। দারুণ ছন্দে থাকা ফিজ তার ৮ ওভারে মেডেন নেন ৩টি। রান দিয়েছেন ১৫টি।

অন্যদিকে, সাকিব তার ১০ ওভারের কোটায় রান দিয়েছেন ৩০টি।

সিরিজের শেষ ওয়ানডে ম্যাচটি সোমবার চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।

ক্রিকেট/এসকেএম/আরএম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *