নিউজ ডেস্ক: নওগাঁর পোরশা উপজেলার নিতপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) কার্যালয়ের একটি কক্ষ থেকে লাফারুল ইসলাম নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার রাতে ওই যুবকের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত লাফারুল ইসলাম উপজেলার নিতপুর মাস্টারপাড়া গ্রামের কুরানু ইসলামের ছেলে।
এ ঘটনায় লাফারুলের মা ছলেহা বেগম বাদী হয়ে দুই গ্রামপুলিশ ও অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচ থেকে ছয়জনকে আসামি করে শুক্রবার রাতে পোরশা থানায় মারধর ও আত্মহত্যার প্ররোচণার অভিযোগে মামলা করেন। পরে মামলার আসামি অভিযুক্ত দুই গ্রামপুলিশকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন- নিতপুর ইউপি কার্যালয়ে কর্মরত গ্রামপুলিশ শাহজাহান আলী ও আবদুর রহিম।
লাফারুলের স্বজনদের অভিযোগ, চোর সন্দেহে লাফারুলকে মারধর করে ইউপি কার্যালয়ের একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়। পরে তিনি সেখানে আত্মহত্যা করেন।
নিতপুর ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হক বলেন, শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সাইকেল চুরির অভিযোগে ইউপিতে কর্মরত দুই গ্রামপুলিশ লাফারুলকে ধরে নিয়ে কার্যালয়ের কক্ষে আটকে রাখেন। তাকে সেখানে মারধর করা হয়েছে কিনা আমার জানা নেই। শুক্রবার হওয়ায় আমি কিংবা পরিষদের কোনও সদস্যই ইউপি কার্যালয়ে ছিলাম না। তাকে ধরে আনার নির্দেশও আমি দিইনি। ধরে আনার পর একজন গ্রামপুলিশ বিষয়টি আমাকে ফোনে জানান। আমি তাকে বলি, জুমার নামাজ শেষে ২টা থেকে ৩টার দিকে আমি কার্যালয়ে যাব। তারা লাফারুলকে ইউপি কার্যালয়ের গ্রাম আদালত কক্ষে আটকে রেখে নামাজ পড়তে যান। নামাজ শেষে তারা এসে দেখেন, লাফারুল গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। জানার সাথে সাথে সেখানে যাই এবং থানার ওসিকে ফোন করে বিষয়টি জানাই।
পোরশা থানার ওসি জহুরুল ইসলাম বলেন, ইউপি কার্যালয়ের গ্রাম আদালত কক্ষে লাশটি ফ্যানের সাথে ঝুলছিল। লাশের পা ও হাতে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য শনিবার সকালে মরদেহ নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নওগাঁ/এমএএম
আরও খবর পড়তে: artnewsbd.com
আর্ট নিউজ ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে: ARTNews BD
















Leave a Reply