১০ মে ২০২১ (নিউজ ডেস্ক, যশোর): যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন গবেষক কম খরচে করোনা ভাইরাস শনাক্তে ‘সাইবার গ্রিন পদ্ধতি’ উদ্ভাবন করেছেন। এই পদ্ধতিতে করোনা ভাইরাস শনাক্তে খরচ হবে মাত্র ১৪০ টাকা।
সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও জিনোম সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ডক্টর মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন এ তথ্য জানান।
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, পরীক্ষা করে দেখা গেছে সাইবারগ্রিন পদ্ধতিতে করোনা শনাক্তের সেনসিটিভিটি প্রচলিত অন্যান্য কিটের সমপর্যায়ের। এই গবেষণাটি পি-প্রিন্ট আকারে Medrxiv সার্ভারে পাওয়া যাচ্ছে। যা একটি পিয়ার রিভিউ জার্নালে প্রকাশের অপেক্ষায় আছে।
তিনি বলেন, সরকারের সহায়তা পেলে এই গবেষণাকে কাজে লাগিয়ে খুব সহজে এবং কম খরচে করোনা শনাক্তের কাজটি করা যাবে।
অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ও জিনোম সেন্টারের সগযোগী পরিচালক অধ্যাপক ডক্টর মোহাম্মদ ইকবাল কবীর জাহিদ জানান, বায়ো-ইনফরমেটিক্স টুলের মাধ্যমে দেখা গেছে বর্তমানে সংক্রমণশীল করোনার বিভিন্ন ধরণ শনাক্ত করা সম্ভব। শতাধিক নমুনা পরীক্ষা করে এর কার্যকারিতা যাচাই করা হয়েছে।
উপাচার্য আনোয়ার হোসেন জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক দল সাম্প্রতিক নমুনাগুলো থেকে ভাইরাসের ভ্যারিয়েন্টগুলো হোল জিনোম সিকোয়েন্সিং এবং স্পাইক প্রোটিনের সিকোয়েন্সিং-এর মাধ্যমে চিহ্নিত করেছেন। ইতোমধ্যেই পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকোয়েন্স জিএসডি ডাটাবেইসে জমা দেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ভারত থেকে আসা ১৬ জনের নমুনা যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনোম সেন্টারে পাঠানো হয়। এর মধ্যে তিনজনের করোনা পজেটিভ পাওয়া যায়। পজেটিভ তিনজনের মধ্যে দুইজনের শরীরে করোনা ভাইরাসের ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে। ভারতীয় এ ধরনটি বি ১.৬১৭.২ নামে পরিচিত। যার মধ্যে স্পাইক প্রোটিনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মিউটেশন রয়েছে।
সাইবার গ্রিন/এএমএম/কিউটি
















Leave a Reply