২২ মার্চ ২০২২ (নিউজ ডেস্ক): ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ইউনিয়নের বালিয়াচরা ও সোনাখোলা গ্রামবাসীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রায় ৩ ঘণ্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে পুলিশসহ কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছে। এ সময় পাঁচটি বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
মঙ্গলবার সকালে দুই গ্রামবাসী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
এদিকে সংঘর্ষ চলাকালে বালিয়াচরা গ্রামের দুইটি বসতবাড়ির পাটকাঠির মাচায় আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। এছাড়া ক্ষেতের ফসলসহ বসতবাড়ির বিভিন্ন গাছপালা কেটে ফেলা হয়। খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ ও ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এলাকাবাসী জানায়, দুই সপ্তাহ আগে আলগী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কাউসার ভূঁইয়ার একটি জমিতে বালিয়াচরা গ্রামের ছেলেরা খেলাধুলা করলে সোনাখোলা গ্রামের কিছু ছেলে তাতে বাধা দেয়। এ সময় ২ গ্রামের যুবকদের মধ্যে মারামারি হয়। সেসময় ২ গ্রামের কয়েকজন ছেলে আহত হয়।
বিষয়টি নিয়ে সোনাখোলা ও বালিয়া চড়া গ্রামের মাতব্বররা সালিশ বৈঠক করে মীমাংসার চেষ্টা করেন। কিন্তু মীমাংসার আগেই রোববার বিকালে সোনাখোলা কয়েকজন যুবক বালিয়াচরা গ্রামের মিরাজকে পেয়ে মারধর করে আহত করে। তারই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার সকালে মিরাজ হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে গ্রামের লোকজনকে ডেকে একত্রে করে সংঘর্ষের ঘোষণা দেয়। মাইকে ঘোষণা দিয়ে সোনাখোলা ও বালিয়াচরা গ্রামের শত শত লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ফসলের মাঠে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভাঙ্গা থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দুটি গ্রামের মোড়ে মোড়ে অবস্থান করছে।
ভাঙ্গা থানার ওসি সেলিম রেজা জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পরবর্তীতে জেলা সদর থেকে অতিরিক্ত পুলিশ এনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। এ সময় ৩ পুলিশ সদস্য আহত হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ভাঙ্গা থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দুটি গ্রামের মোড়ে মোড়ে অবস্থান করছে।
সংঘর্ষ/এসকেএম
আরও খবর পড়তে: http://artnewsbd.com
আর্ট নিউজ ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে: ARTNews BD
















Leave a Reply