দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে আইনের কঠোর পরিপালন করতে হবে

১৭ আগস্ট ২০২২ (নিউজ ডেস্ক): দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে আইনের কঠোর পরিপালন করতে হবে। এমনটাই বলেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ঢাদসিক) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। তিনি বলেন, সেবা দানকারী সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে আইনের কঠোর পরিপালন না করলে পুরান ঢাকায় রাসায়নিক কারখানা ও গুদামে অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনা ঘটতেই থাকবে।

বুধবার রাজধানীর লালবাগে দেবীদাস ঘাট লেনে সোমবারের অগ্নিকাণ্ডের স্থান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি একথা বলেন।

মেয়র বলেন, এটি আসলে অনাকাঙ্খিত। আসলে এটি (যেখানে খাবার হোটেল ও পলিথিন কারখানা গড়ে তোলা হয়েছে) একটি ওয়াক্ফ এস্টেট। এর কোনও বাণিজ্য অনুমতি (ট্রেড লাইসেন্স) নেই, এই স্থাপনার কোনও বৈধতা নেই। সেখানে রেস্তোরাঁ করেছে, কারখানা করেছে। কিন্তু আমরা বাণিজ্য অনুমতি না দেয়া সত্ত্বেও সেখানে কিভাবে গ্যাসের সংযোগ পেল, বিদ্যুতের সংযোগ পেল? এ বিষয়গুলোতে আসলে সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। এখানে আইন কঠোরভাবে পরিপালন করতে হবে। এর ব্যত্যয় হলে এরকম দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতেই থাকবে।

সরকারের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন থেকে যথার্থভাবে সব কার্যক্রম গ্রহণ করা হলেও এখনও সেখানে বেআইনিভাবে রাসায়নিক কারখানা ও গুদামগুলো পরিচালিত হচ্ছে উল্লেখ করে ব্যারিস্টার শেখ তাপস। বলেন, আমরা ২০১৮ সালের পর থেকে এখানে কোনও ট্রেড লাইসেন্স দিচ্ছিনা। তারপরেও আপনারা দেখেছেন, এখানে অবৈধভাবে, বেআইনিভাবে তারা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এখানে কারখানা করেছে, রেস্তোরাঁ করেছে। এগুলো কিন্তু আসলে সবই অনিয়মতান্ত্রিক, বেআইনি। এরই মাঝে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিদ্ধান্তের আলোকে আমরা চিরুনি অভিযান পরিচালনা করে  ১৯২৪টি রাসায়নিক গুদাম ও কারখানা চিহ্নিত করেছি।

এ বছরের মধ্যে ৫০০টি কারখানা ও গুদাম স্থানান্তর করার তথ্য অবগত করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাসায়নিক কারখানা ও গুদামঘরগুলোর স্থানান্তর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। শ্যামপুর শিল্পাঞ্চলে পাঁচশোটির মত গুদামঘর, কারখানা স্থানান্তরের প্রক্রিয়া নেয়া হয়েছে এবং সেটা এ বছরের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে।

মেয়র তাপস/এসকেএম

আরও খবর পড়তে: artnewsbd.com

আর্ট নিউজ ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে: ARTNews BD

https://www.youtube.com/channel/UCC2oLwZJYHIEygcbPX3OsWQ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *