নিউজ ডেস্ক: অপহরণের ১২ দিন পর মালয়েশিয়া প্রবাসী বাংলাদেশি সোহেল মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এখন পর্যন্ত ৪ বাংলাদেশিকে আটক করেছে দেশটির পুলিশ।
বৃহস্পতিবার তামিং জায়া ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের একটি কারখানার পেছনের জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয় কাজাং থানা পুলিশ।
৩৯ বছর বয়সী সোহেল মিয়া টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার দক্ষিণ ধলাপাড়া গ্রামের মরহুম আহমেদ মিয়ার ছেলে।
কাজাং পুলিশের সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদ হাসান বলেন, ৩০ সেপ্টেম্বর মৃত সোহেলের মামা বাদি হয়ে থানায় একটি নিখোঁজ হওয়ার মামলা করে। মামলার তদন্তে জানা যায়, সোহেল নিখোঁজ হওয়ার রাতে অন্য নম্বর থেকে তার মায়ের ফোনে কল করে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। টাকা দেয়ার দুই দিনের মধ্যে ছেড়ে দেয়া হবে বলেও জানানো হয়। কিন্ত দুইদিন পরও কোনও খোঁজ না পাওয়ায় বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ায় মামলা করে সোহেলের পরিবার। মালয়েশিয়ার ফোন নম্বর ও পাঁচ লাখ টাকা পাঠানোর সূত্র ধরে এগোতে থাকে পুলিশ।
৫ অক্টোবর বিকেল চারটায় দুই বাংলাদেশিকে বেরানাং থেকে আটক করে মালয় পুলিশ। ঘটনার সাথে যোগসূত্র থাকায় পর দিন বিকালে সিমিনি থেকে আটক করা হয় আরও দুই বাংলাদেশিকে।
অপহরণ ঘটনায় আটক ৪ প্রবাসী বাংলাদেশির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির সূত্র ধরে সোহেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার হাত ও মুখ বাঁধা ছিল। পুলিশ ধারণা করছে, অপহরণের পর চিনে ফেলায় তাকে হত্যা করা হয়েছে। মামলাটি হত্যা মামলা হিসাবে গ্রহণ করা হয়েছে বলেও পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়।
এদিকে শুক্রবার (৭ অক্টোবর) সকালে নিহত সোহেল মিয়ার মামা মিজানুর সেরডাং হাসপাতালে থাকা মরদেহ শনাক্ত করে। মিজানুর বলেন, প্রতিদিনের মতো কাজ থেকে বাসায় ফেরে সোহেল। ওই দিন বাসার নিচে নেমে আর ওপরে ওঠেনি। বাবা হারা সোহেল মায়ের একমাত্র অবলম্বন। সে তামিং জায়ার একটি ওয়েল্ডিং ফ্যাক্টরিতে কাজ করত। এ ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান তিনি।
মালয়েশিয়া/এসকেএম
আরও খবর পড়তে: artnewsbd.com
আর্ট নিউজ ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে: ARTNews BD
















Leave a Reply