নোয়াখালীতে সংঘর্ষ

১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১ (নিউজ ডেস্ক): নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চাপরাশিরহাট বাজারে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। কাদের মির্জা ও বাদল গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে সংবাদকর্মীসহ দুই পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ, শটগানের ফাঁকা গুলি ও টিয়ারসেল নিক্ষেপ করেছে।

শুক্রবার বিকাল পৌণে ৫টার দিকে চাপরাশিরহাট পূর্ব বাজারে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আহতরা হচ্ছেন, স্থানীয় সংবাদকর্মী বোরহান উদ্দিন মুজাক্কির, চরফকিরা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান, ছাইয়েদুর রহমান, রুহুল আমিন, মেহরাব, বাপ্পীসহ অন্যরা।

এদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ সংবাদকর্মী বোরহান উদ্দিন মুজাক্কির, নুরুল অমিত, ফরহাদ ও কাঞ্চনকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। 

জানা গেছে, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল বিকাল সাড়ে ৪টায় তার সমর্থকদের নিয়ে চাপরাশিরহাটে মিছিল করেন। এ সময় পৌর মেয়র কাদের মির্জা সমর্থিত চরফকিরা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন লিটনের সমর্থকরা মিছিলের মুখোমুখি হলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। একপর্যায়ে উভয়পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

এদিকে, সংঘর্ষের পর নিজের ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে এসে নিজের সমর্থকদের ওপর চাপরাশিরহাট বাজারে হামলা হয়েছে বলে দাবি করেছেন মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। তার কোনও নেতাকর্মী মারা গেলে তার দায়দায়িত্ব সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাব উদ্দিন ও প্রশাসনকে নিতে হবে বলে জানান কাদের মির্জা।

কোম্পানীগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রবিউল হক জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১০-১২ রাউন্ড টিয়ারসেল নিক্ষেপ করা হয়েছে।

সংঘর্ষ/এসকেএম/রমু

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *