১৭ জানুয়ারি ২০২১ (নিউজ ডেস্ক): প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা ডক্টর গওহর রিজভী দেশের কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প-উদ্যোক্তা এবং ইন্টারন্যাশনাল সাপ্লাই চেইনের মধ্যে লিঙ্কের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।
তিনি বলেন, আমাদের উদ্যোক্তাদের ইন্টারন্যাশনাল সাপ্লাই চেইনের সাথে লিঙ্ক করিয়ে দেয়া এখন সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে। এসব উদ্যোক্তার জন্য যেসব প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম নেয়া হচ্ছে, সেগুলো খুবই সময়োপযোগী উদ্যোগ। কিন্তু সমস্যা তৈরি হয় মার্কেটের সাথে তাদের (উদ্যোক্তা) লিঙ্ক করানোর ক্ষেত্রে।
গওহর রিজভী শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীতে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে সিএমএসএমইস: জার্নি, চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড ফিউচার ডিরেকশন’ শীর্ষক ঢাকা বিভাগীয় ওয়েবিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনোভেশন, ক্রিয়েটিভিটি অ্যান্ড এন্টারপ্রেনিউরশীপ (আইসিই) সেন্টার এবং বাংলাদেশে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) যৌথভাবে গৃহীত ‘রিভাইভ’ প্রকল্পের অংশ হিসেবে ভার্চ্যূয়াল মাধ্যমে এই ওয়েবিনারের আয়োজন করা হয়।
আইসিই সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক রাশেদুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সেন্টারের ভাইস-চেয়ারম্যান ডক্টর খন্দকার বজলুল হক।
অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এ কে এম সাজেদুর রহমান, মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) সভাপতি ব্যারিস্টার নিহাদ কবির, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক পরিচালক ডক্টর মমতাজ উদ্দিন আহমেদ ও ইউএনডিপি বাংলাদেশের সহকারি আবাসিক প্রতিনিধি খুরশিদ আলম অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।
গওহর রিজভী বলেন, বাংলাদেশকে ২০৩০ সালের লক্ষ্য পূরণের জন্য দেশের পিছিয়ে পড়া প্রান্তিক জগোষ্ঠিকে সামনে আনতে হবে। এ ক্ষেত্রে আইসিই সেন্টার অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে।
ওয়েবিনারে বক্তারা দেশীয় পণ্য আন্তর্জাতিকীকরণের বিষয়ে বলেন, এ ব্যাপারে প্রথমে সিএমএসএম খাতকে একসাথে না দেখে বরং কুটির, ক্ষুদ্র এবং মাঝারী শিল্পকে আলাদাভাবে বিবেচনায় নিতে হবে।
এজন্য তারা প্রতিটির জন্য ভিন্ন ভিন্ন নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের পরামর্শ দেন। কারণ ছোট এবং মাঝারী শিল্পকে যখন একীভূত করে ফেলা হয়, তখন নীতিগুলো কোনো কোনো ক্যাটাগরির জন্য প্রয়োজনের বাইরে জটিলতার সৃষ্টি করে, যা ব্যবসায়ীদের আন্তর্জাতিকীকরণে ক্ষেত্রে বিশেষ সমস্যা হয়।
রিভাইভ প্রকল্পের অধীনে বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার ম্যাপিং উদ্যোগের প্রশংসা করে তারা বলেন, এর মধ্যদিয়ে জেলাভিত্তিক শিল্পায়নের সুযোগ এবং সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।
গওহর রিজভী/আরএম/টিটি














Leave a Reply