যেখানে ডেঙ্গু রোগী সেখানেই বিশেষ অভিযান

0
165

২৫ জুলাই ২০২১ (নিউজ ডেস্ক): ডেঙ্গু রোগ নিয়ন্ত্রণে যে এলাকায় বা বাসা-বাড়িতে রোগী পাওয়া যাবে হাসপাতাল থেকে সেই ব্যক্তির নাম-ঠিকানা নিয়ে তার বাসাসহ ঐ অঞ্চলে বিশেষ চিরুনি অভিযান চালানো হবে। এমনটাই বলেছেন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

রোববার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ডেঙ্গু রোগী বৃদ্ধি পাওয়ায় করণীয় ঠিক করতে ঢাকা দুই সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এবং সংশ্লিষ্টদের নিয়ে ডাকা জরুরী সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় মন্ত্রী ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সাথে সাথে স্থানীয় সরকার বিভাগের উদ্যোগে গঠিত ‘ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সমন্বয় সেল’-এ এবং দুই সিটি কর্পোরেশনে তথ্য পাঠানোর জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, মশক নিধন অভিযানের পাশাপাশি যে হাসপাতালেই ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম, ঠিকানা আমাদের সেলে পাঠালে ঐ ব্যক্তির বাসা-বাড়ি চিহ্নিত করে পুরও এলাকায় বিশেষ মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

তিনি বলেন, অভিযান চালানোর সময় সিটি কর্পোরেশনের লোকজনদেরকে বাসা-বাড়ি ঢুকতে দেয়া হয় না বলে অভিযোগ আসে। অনেক সময় আক্রান্ত রোগীর আসল ঠিকানা না দিয়ে ভুল তথ্য দেয়া হয়। এটি একজন সচেতন নাগরিকের কাজ হতে পারে না। কোথায় এডিস মশার লার্ভা আছে তা জানালে আমরা সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিবো।

মন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে যে সব অঞ্চলকে এডিস মশার হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে সেসব এলাকায় আগামীকাল থেকে চিরুনি অভিযান চালানো হবে।

মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, ঢাকা ক্যান্টমেন্ট বোর্ড, রেলওয়ে, সিভিল এভিয়েশন এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান স্ব স্ব উদ্যোগে এডিস মশা নিধনে কার্যক্রম পরিচালনা করবে। প্রয়োজনে সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতা নিবেন।

তিনি বলেন, ব্যক্তি বা যে কোনও প্রতিষ্ঠানই হোক নির্মাণাধীন, পরিত্যক্ত বা যেকোন ভবনে পানি জমিয়ে রেখে ডেঙ্গু প্রজননে ভূমিকা রাখলে তাকে শাস্তি বা জরিমানা করা হবে।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ডিএনসিসি মেয়র মোহাম্মদ আতিকুল ইসলাম, ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র জাহাঙ্গীর আলম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম/এসকেএম