১ জুন ২০২১ (নিউজ ডেস্ক): চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, মহানগরে পুরোনো যে খালগুলো ছিল তা আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনা হবে। এ জন্য সঠিক অবস্থান নির্ণয় করে সমন্বিত্বভাবে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। সাথে সাথে কর্ণফুলী নদীর হারানো নাব্যতা ফিরিয়ে আনা না গেলে যত মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হোক কেন জলাবদ্ধতা নিরসনে সত্যিকার সুফল পাওয়া যাবে না।
মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষের আমন্ত্রণে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় মেয়র এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বর্ষার ভরা মৌসুমের আগেই ঈদের দিন সকালে এক ঘণ্টার ভারি বৃষ্টিতে নগরীর বেশ কয়েকটি এলাকায় জলাবদ্ধতার চিরচেনা রূপ ফুটে উঠে। নগরীর চাক্তাই খালসহ বিভিন্ন খালে মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে কিছু বাঁধ দেয়ায় জলপ্রবাহের পথ সংকুচিত হয়ে পড়েছে। এ কারণে এই খালগুলো দিয়ে বৃষ্টির পানি দ্রুত সরতে পারেনি। চউক চেয়ারম্যান ও প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থার আন্তরিকতা থাকলেও কাঙ্খিত ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়নি।
তিনি বলেন, নগরবাসী বোঝেন এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন একটি বড় স্বপ্ন পূরণের মাইলফলক। বড় যে কোন কাজে সাময়িক কিছু সমস্যাকে মেনে নিতে হয় এবং এটাই বাস্তবতা। তবুও নগরবাসীর সব ভাল-মন্দের মালিক ও দায়-দায়িত্ব মেয়রের, এটাই একটি সাধারণ ধারণা। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে নগরীর সামগ্রিক কার্যক্রমের সাথে অনেক সেবা সংস্থা যুক্ত। তাই সব দায়িত্ব মেয়রের একার নয়। এখানে সমন্বয় প্রয়োজন।
এ সময় চউক চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষ বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে যে মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজটি সেনাবাহিনীকে না দিলে এটি আরো কঠিন হতো। তিনি বলেন, ১৯৯৮ সালে চসিক আগ্রাবাদ শেখ মুজিব রোডে যে বক্স কালভার্ট নির্মাণ করেছিল সে কালভার্টটি সম্পূর্ণ ভরাট হয়ে গেছে। বক্স কালভার্টটি কি কৌশলে পরিষ্কার করা যায় তার জন্য ব্যবস্থা নিতে তিনি মেয়রকে অনুরোধ জানান। এছাড়া মেগা প্রকল্পের যে কাজগুলো ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে সিটি কর্পোরেশনকে এ সবের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেয়া হবে বলে উল্লেখ করেন।
শিক্ষামন্ত্রী/এএমএম/কিউটি
















Leave a Reply