তার মৃত্যু আমাকে ব্যথিত করে: রহমান মুস্তাফিজ

রহমান মুস্তাফিজের মন্তব্য প্রতিবেদন: স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী… তারপর মহামান্য রাষ্ট্রপতি। এটিতো রাজনৈতিক পরিচয়। তবে তিনি নিজেকে শিক্ষক ও চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দিতেই বেশি পছন্দ করতেন। অন্তত আমি তা-ই দেখেছি। বলছি সদ্যপ্রয়াত শিক্ষক ও রাজনীতিক, সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ডক্টর একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর কথা। সমাজের একটি বড়ো অংশের কাছে তিনি ‘বি চৌধুরী’ নামেই পরিচিত ছিলেন। ৫ অক্টোবর তিনি ইহলোকের মায়া ত্যাগ করেছেন।

পারিবারিক কারণেই চিনতাম তাকে। আমার মা ডক্টর বি চৌধুরীর কাছে অনেকদিন গিয়েছেন চিকিৎসা নিতে। যখন কৈশোর অতিক্রম করছি, তখনই রাজনীতির সাথে সখ্যতা তৈরি হয়। ফলে দেশের অন্যতম বড়ো দল বিএনপি’র নেতা হিসেবে তাকে দেখেছি। পরে যখন সাংবাদিকতায় যুক্ত হলে পরিচয় নিবিড় হয়, ঘনিষ্ঠতা বাড়ে।

২০০১ সালের নভেম্বর থেকে আমার সাথে দেখা হলেই তিনি বলতেন, “রহমান মুস্তাফিজ; চ্যানেল আই– সাহসী ছেলে”। বলেই স্মিত হেসে আমার পিঠে স্নেহের হাত রাখতেন। তার এমন আচরণের পিছনে বিশেষ কারণ ছিল। ব্যাপরটাও ছিল খুব মজার। যদিও ঘটনাটা ঘটার সময় তা খুব একটা সুখকর ছিল না।

ডক্টর চৌধুরীর সাথে সম্পর্ক গভীর হয় বিশেষ একটা ঘটনার পর। ঘটনাটা ২০০১ সালের। বিএনপি নেতৃত্বাধীন চার দলীয় জোট সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। আমি তখন চ্যানেল আইয়ে সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট হিসেবে কাজ করি। অক্টোবরের শেষ কিংবা নভেম্বর মাস। বি চৌধুরী পররাষ্ট্রমন্ত্রী থেকে পদত্যাগ করে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নিলেন। জয়ী হলেন। হলেন বাংলাদেশের ১৮তম রাষ্ট্রপতি। তখনও রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেননি। সময়টা রোজার মাস। নির্বাচন আর শপথের মাঝের সময়টায় ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) আয়োজন করলো ইফতার মাহফিলের। ভেন্যু- অফিসার্স ক্লাব টেনিস কোর্ট। প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির অ্যাসাইনমেন্টটা আমার ছিল। নিউজের সেকেন্ড ব্রেকের পরের আইটেম। মেজাজটাই খারাপ ছিল। সারাদিন বসে থেকে একটা উভ্ আইটেম (প্রেজেন্টার নিউজটা পড়বেন, সাথে ২০/২৫ সেকেন্ড ফুটেজ যাবে) করা, যা রাত ৯টার নিউজে প্রচার হবে।

অ্যাসাইনমেন্টে যেতে যেতে প্ল্যান করছি, কিছু একটা করতে হবে যেনো এটা প্যাকেজ হবে এবং নিউজের ফার্স্ট পার্টে প্রচার হয়। আচমকা ব্রেইনে একটা বুদ্ধি ঝিলিক খেলে গেলো। নিজের মনেই হাসলাম। বুদ্ধিটা যদি কাজে লাগে তাহলে ২৩/২৪ নাম্বার আইটেমটাই হয়ে যাবে ফার্স্ট লিড।

স্পটে গিয়ে ক্যামেরাপার্সন ফুয়াদ হোসেন রুবেলের (এখন নাগরিক টিভিতে) সাথে আইডিয়াটা শেয়ার করি। ইফতারির কিছুক্ষণ আগে তিনি অনুষ্ঠান স্থলে এলেন। এরপর দোয়া আর কুরআন তেলওয়াত শেষ হতেই আজান পড়লো। সবাই মুখে পানি দিয়ে মাগরিবের নামাজে গেলেন। নামাজ শেষে বি চৌধুরী যে পথে ফিরবেন তার মাঝামাঝি একটা জায়গায় ফুয়াদকে নিয়ে অপেক্ষায় থাকলাম। নামাজ পড়ে তিনি যখন আসছেন, আমি বুম (মাইক্রোফোন) হাতে এগিয়ে গেলাম। কাছে গিয়ে কথা বলার চেষ্টা করলাম। সফল হলাম না। আমার পাশে পৌঁছে গেছে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ)-এর দুই কর্মকর্তা। মুহূর্তের মধ্যেই তারা আমাকে ধরলেন এবং ছুড়ে মারলেন। ২/৩ সেকেন্ডের ব্যাপার। আমাকে তারা ৫/৬ ফুট দূরে ছুড়ে ফেললেন।

ঘটনার আকস্মিকতায় জিদ চেপে গেলো। সিদ্ধান্ত নিলাম, যে করেই হোক রাষ্ট্রপতির এক লাইনের বক্তব্য হলেও নিবোই নিবো। ফুয়াদকে নিয়ে আবার ছুটলাম প্যান্ডেলের দিকে। একদম সামনের সারিতে গিয়ে বসে পড়লাম। ফুয়াদকে বলে রাখলাম, রাষ্ট্রপতি চেয়ারে বসার আগেই যেনো ক্যামেরা রোল দেয়। যাই ঘটুক, রেকর্ড চলতে থাকবে।

রাষ্ট্রপতি যখন চেয়ারে বসতে বসতে আমিও তার সামনে হাজির হয়ে যাই। গিয়েই ডান পা দিয়ে টেবিলের পায়া আঁকড়ে ধরি। বাম হাত টেবিলে ভর দিয়ে বুম এগিয়ে দেই এবং প্রশ্ন করা শুরু করি। জাতীয় সংসদে তখন প্রধান বিরোধী দল আওয়ামী লীগ অধিবেশন বর্জন করে চলেছে। রাষ্ট্রপতিকে প্রশ্ন করি, “রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে বিরোধী দলকে সংসদে ফিরিয়ে আনার জন্য কি উদ্যোগ নেবেন?”

আমার প্রশ্ন শেষ হওয়ার মুহূর্তে আবারও এসএসএফ হাজির। তারা আমাকে সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা করলেন। সরাতে গিয়ে দেখলেন রাষ্ট্রপতির সামনে থেকে টেবিল সরে যাচ্ছে। এরপর তারা এ চেষ্টা বাদ দিয়ে ডান পায়ের কুচকিতে চাপ দিলেন। টেবিল থেকে পা আলাদা হয়ে গেলো। এবার তারা আমাকে সেখান থেকে সরানোর চেষ্টা করলেন। কিন্তু ততক্ষণে রাষ্ট্রপতি আমার প্রশ্নের উত্তর দিতে শুরু করেছেন। রাষ্ট্রপতি যখন কথা বলছেন, তখনতো আর সামনে থেকে মাইক্রোফোন সরিয়ে নেয়া যায় না। প্রায় দেড় মিনিট কথা বললেন তিনি। কথা শেষ হতেই ফুয়াদকে ছুটতে বললাম। সন্ধ্যা সোয়া ৭টার নিউজ শুরু হতে তখনও ৭/৮ মিনিট বাকি। অফিসার্স ক্লাব থেকে সিদ্ধেশ্বরীতে চ্যানেল আই অফিসে পৌঁছাতে বেশি সময় লাগবে না। যেতে যেতেই গাড়িতে বসে অফিসে ফোন দিলাম। চিফ নিউজ এডিটর শাহ আলমগীর ভাই বললেন, ”দ্রুত আসো। ক্যাসেট ক্যামেরা দিয়েই কিউ করে পিসিআর-এ চলে যাও।”

অফিসে পৌঁছে ছুটি ৪ তলার পিসিআর-এ। ততক্ষণে হেডলাইন শুরু হয়ে গেছে। লাইন প্রডিউসার শান্ত মাহমুদের হাতে ক্যাসেট ধরিয়ে দেই। ফার্স্ট লিড আমার আনা সেই নিউজ।

এর কয়েক মাস পর ভিকারুননিসা নুন স্কুলের অভিভাবক সমাবেশ। অধ্যাপক বি চৌধুরী মেয়ে একসময় স্কুলটিতে পড়তেন। তিনি এলেন প্রধান অতিথি হয়ে। যথারীতি আমার অ্যাসাইনমেন্ট। অনুষ্ঠান শেষে তার দিকে এগুনোর চেষ্টা করি। আবারও এসএসএফ-এর বাধা। তিনি আমাকে দেখলেন এবং এসএসএফ-কে বললেন আমাকে তার কাছে যেতে দেয়ার জন্য। সেদিনও একটি সাধারণ নিউজ আইটেম লিড নিউজে পরিণত হয়েছিল।

এমন আরও অনেক স্মৃতি আছে। তবে তার কাছে আমার ব্যক্তিগত কৃতজ্ঞতারও বিষয় আছে।

২০০৮ সালের ৮ জুলাই। ওয়ান ইলেভেনের পরের ঘটনা। আমি তখন সচিবালয় বিট করি। সকাল থেকেই তেমন কোনো ভালো আইটেম নেই। সব গৎবাধা কার্টেসি কল। ৬ নাম্বার বিল্ডিংয়ে লিফটের সামনে দেখা হয়ে গেলো উপদেষ্টা ডক্টর হোসেন জিল্লুরের সাথে। তার দিকে এগিয়ে যেতেই বললেন, ”আজকের গরম খবর কি?” বললাম, আজকের গরম খবরতো আপনি দিবেন। একটু পরেইতো আপনারা কয়েকজন বসবেন। প্রথমে তিনি ভ্রূ কুঁচকালেন। তারপর হাসলেন। বললেন, “কোনো খবরই গোপন রাখবেন না?” উত্তরে আমিও হাসলাম। তবে বললাম না, আমি আন্দাজে ঢিল ছুড়েছিলাম।

তিনি বললেন, ”তিনটার দিকে রুমে আসেন। কথা হবে।” হিসেব করে দেখলাম, দুপুর দেড়টা থেকে কোনো কাজ নেই। এই ফাঁকে বরং লাঞ্চটা সেরে নেই। সচিবালয় বিট যারা করেন, তাদের কয়েকজনকে ফোন করে বললাম লাঞ্চ সেরে নেন, তিনটায় ব্রিফিং। সবাইকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কেন্টিনে আসতে বললাম। নিজেও যখন কেন্টিনের দিকে যাচ্ছি, তখন দেখি চ্যানেল আই-য়ের একটা ট্রাইপড গথে পড়ে আছে। আমাদের তৃতীয় কোনো রিপোর্টার হয়তো কারও সাক্ষাতকার নিতে এসে সেখানে ওটা ফেলে গেছেন। নিজের প্রতিষ্ঠানের সম্পদ এভাবে রেখে যাওয়া যায় না। উবু হয়ে তুলে রাখতে গিয়ে কোমড়ে হালকা শব্দ হলো। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিলাম না। ট্রাইপড একটা গাড়িতে রেখে স্বাস্থ্যের কেন্টিনে চলে গেলাম। সেখানে খেতে বসে হঠাৎ-ই প্লেটের ভাতে মুখ থুবড়ে পড়লাম, সাথে ব্যথায় গগনবিদারী চিৎকার।

আমার চিৎতারে শুধু কেন্টিনের নয়, ওই ভবনের দোতলা থেকেও নেমে এলেন কয়েকজন। সবাই অবাক, কী হলো! নিয়ে যাওয়া হলো মনোয়ারা হাসপাতালে। অফিসেরই সামনে। ইমার্জেন্সির চিতিৎসক কি হয়েছে শুনে একটা ভোল্টালিন ইনজেকশন দিলেন। জানালেন, এক্সরে করারও উপায় নেই। তিন দিন পর এক্সরে করে চিকিৎসা শুরু করবেন।

বাসায় ফিরে আসি। তিন দিন পর এক্সরে করে জানা যায় মেরুদণ্ডের নিচের ৪ ও ৫ নাম্বার ডিস্ক বাঁকা হয়ে গেছে। দুই ডিস্কের মাঝে আটকা পড়েছে ভেইন। শুরু হলো চিকিৎসা। এরপর সিটিস্ক্যান। পিজি হাসপাতালের (বর্তমান বিএসএমএমইউ) একজন সহকারি অধ্যাপক আমাকে যে ওষুধ দিলেন তাতে প্রতিদিন খরচ প্রায় ১৬শ’ টাকা। এরপর অধ্যাপক ডা. ইদ্রিসুর রহমানের কাছে গেলাম। তিনি প্রথম দিনেই বললেন অপারেশন করতে হবে। ১৪ লাখ টাকা নিয়ে আসেন।

ইন্টারন্টে ঘাটাঘাটি করে দেখলাম, যে অপারেশনের কথা বলা হচ্ছে তা সফল হওয়ার হার ১০ শতাংশেরও কম। টাকা দিয়ে মৃত্যু কেনা। অপরারেশনে রাজি হলাম না। কয়েকদিন পর এক বিকেলে আমার বড়োভাই ফোন করলেন। বললেন, বাংলাভিশন দেখ। বাংলাভিশনে দেখলাম অধ্যাপক বি চৌধুরী স্বাস্থ্যবিষয়ক অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করছেন। সেদিনের বিষয়টি মেরুদণ্ডের নানান সমস্যা নিয়ে। অনুষ্ঠান শেষ হতেই বি চৌধুরীকে ফোন দিলাম। সমস্যা জানালাম। তিনি পরদিন উত্তরায় মেডিকেল কলেজে যেতে বললেন।

পরদিন সকাল ৯টার দিকে কলেজে গেলাম। তিনি তখন ক্লাসে। ক্লাস শেষ করে ফিরলেন। আমাকে দেখে বললেন, “সুস্থ মানুষ অসুস্থতার ভান করলে চলবে? অ্যাসাইনমেন্টে যাননি কেনো?” কথা বলতে বলতেই তিনি রুমে ঢুকে গেলেন। বেশ বড়ো রুম। দরজা থেকে ওনার টেবিল অন্তত ১৫/২০ ফুট দূরে। রুমে ডাকলেন। রুমে ঢেকিার জন্য পা বাড়াতেই তিনি ক্র্যাচের দিকে ইঙ্গিত করে বললেন, “রহমান মুস্তাফিজ, আমার রুমে কোনো ল্যাংড়া-খোড়াকে ঢুকতে দেই না। কাঠি দুইটা বাইরে রেখে আসেন।”

ক্র্যাচ বাইরে রেখে রুমে ঢোকার চেষ্টা করতেই পড়ে গেলাম। ওঠার সময় হাঁটু যেখানে ছিল সেখান থেকে দাঁড়াতে গেলাম। বললেন, ”উঁহু, পড়ার সময় পা যেখানে ছিল সেখানেই উঠতে হবে।” এভাবে ১৫/২০ ফুট জায়গা পেরুতে আমার প্রায় ৪০ মিনিট সময় লেগেছিল। এরপর তিনি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখলেন। প্রেসক্রিপশন দেখে ক্ষেপে গেলেন। পিজি হাসপাতালের সেই সহকারি অধ্যাপককে ফোন করে বকাঝকা করলেন। এরপর তিনি ওষুধ লিখে দিয়ে ১৫ দিন পর আবার যেতে বললেন।

আগে প্রতিদিন প্রায় ১৬শ’ টাকার ওষুধ খেতাম। বি চৌধুরীর প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী প্রতিদিনের ওষুধের দাম পড়লো মাত্র ১৫/১৬ টাকা। ১৫ দিন পর ওষুধ চেঞ্জ করে দিলেন। এবার খরচ কমে প্রতিদিনের ওষুধের দাম ৮/৯ টাকা। দুই মাস পর ওষুধই বন্ধ করে দিলেন। ট্রাকশন আর হিট…। এর দুই মাস পর তাও বন্ধ করে দিলেন। চারটা ব্যায়াম শিখিয়ে দিলেন। তারমানে চিকিৎসা খরচ থেকে আমাকে মুক্তি দিলেন। আর আমিও সুস্থ হলাম, যেখানে পঙ্গুত্বই ছিল আমার ভবিতব্য।

অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর সাথে রাজনীতি, পেশা ও চিকিৎসার কারণে তৈরি হয়েছে অজস্র স্মৃতি। ব্যক্তিগতভাবে পছন্দ করতেন বলে তথ্য দিয়েও সহযোগিতা করতেন। বেশ কিছু এক্সক্লুসিভ রিপোর্টের তথ্য ও ডকুমেন্টস তিনিই আমাকে সরবরাহ করেছিলেন। শুধু তা-ই নয়, রাজনৈতিক ইস্যুতে রাষ্ট্রের জন্য ইতিবাচক… এমন কিছু কথা তার সাথে শেয়ার করেছিলাম। তিনি এর বেশ কয়েকটি গ্রহণ করেছিলেন এবং বাস্তবায়ন করেছিলেন।

ব্যক্তিগতভাবে অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরী ছিলেন ইতিবাচক মানুষ। বিরুদ্ধমতের কেউ কোনো ভালো কথা বললে সেটিও তিনি গ্রহণ করতেন। তার আরেকটি অসাধারণ গুণ ছিল। তার সেন্স অব হিউমারও ছিল অসাধারণ, যা এখনকার রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের মাঝে খুব একটা দেখা যায় না। চলতেন একেবারেই সাদামাটাভাবে। তার এই সাদামাটা ভাবটা ভালো লাগতো। আর এ কারণেই হয়তো ভিন্ন আদর্শের মানুষ হওয়া সত্ত্বেও তার মৃত্যু আমাকে ব্যথিত করে।

লেখক: প্রধান বার্তা সম্পাদক; সারাবাংলা ডটনেট এবং লেখক, নির্মাতা ও গবেষক।

শোক/এএমএম

আরও খবর পড়তে: artnewsbd.com

আর্ট নিউজ ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে: ARTNews BD

https://www.youtube.com/channel/UCC2oLwZJYHIEygcbPX3OsWQ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *