১৪ জুলাই ২০২১ (নিউজ ডেস্ক): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত প্রণোদনায় যেন স্বজনপ্রীতি না হয় সেদিকে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রণোদনা প্রদানে যেন স্বজনপ্রীতি না হয় এবং প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে যেন পৌঁছায় সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। এক্ষেত্রে কোন অনিয়ম সহ্য করা হবে না।
বুধবার সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবনে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতোমধ্যেই লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের সহায়তা, গ্রামীণ কর্ম-সৃজন, পর্যটনখাত এবং পরিবহন শ্রমিক ও খেটে খাওয়া মানুষের জন্য ৩ হাজার ২০০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন। সত্যিকার অর্থে ক্ষতিগ্রস্তরা যাতে তালিকাভুক্ত হয় সেদিকে সর্বোচ্চ মনোযোগ দিতে হবে।
লকডাউন শিথিল করার বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ঈদযাত্রায় মানুষের ভোগান্তি কমানোর পাশাপাশি খেটে খাওয়া মানুষের আর্থিক নিরাপত্তা এবং ঈদকে ঘিরে অর্থনীতির প্রবাহ গতিশীল রাখতে সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে।
তিনি বলেন, মনে রাখতে হবে সাময়িক বিধিনিষেধ শিথিলের সুযোগ নিয়ে আমরা যেন গড্ডালিকা প্রবাহে গা না ভাসাই। এ পরিস্থিতিতে নিজেই হতে হবে নিজের রক্ষক। নিজেদের উদাসীনতা এবং অপরিনাম দর্শিতায় উৎসবের যাত্রা যেন জীবনের শেষ যাত্রায় রূপ না নেয়।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ঈদকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী লকডাউনে ব্রেক দিলেও করোনা কাউকে ব্রেক দেবে না, প্রাণঘাতী রূপ নিয়ে সংক্রমণ ছড়াবেই। তাই মাস্ক পরার কোন বিকল্প নেই।
বিধিনিষেধ শিথিল করায় আগামীকাল থেকে সারাদেশে শর্তসাপেক্ষে গণপরিবহন চলাচল করবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, ইতোপূর্বের ধারাবাহিকতায় সমন্বয় করা ৬০ ভাগ বর্ধিত ভাড়ায় অর্ধেক আসন খালি রেখে গণপরিবহন চলাচল করবে। শর্ত অমান্যকারী এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়কারী পরিবহনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ওবায়দুল কাদের/এএমএম/কিউটি
















Leave a Reply