ঢাকা, ২৩ অক্টোবর, ২০২০ (আর্ট নিউজ): ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে কন্ট্রোল রুম চালু করা-সহ বেশ কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় জরুরী সভা করে এসব সিদ্ধান্ত নেয়।
বৃহস্পতিবার রাতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি বিষয়ক এক জরুরী সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। রাত ১০টার পর সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সভার সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মোহাম্মদ মোহসীনের সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ঘূর্ণিঝড়ের পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে আগাম সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তি প্রচারের মাধ্যমে জনগণকে সচেতন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এছাড়া উপকূলীয় অঞ্চল সংলগ্ন জেলাগুলোর জেলা-প্রশাসন কার্যালয়ে সার্বক্ষণিক কন্ট্রোল রুম চালু করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
এছাড়াও উপকুলীয় অঞ্চলের প্রত্যেক জেলার আশ্রয় কেন্দ্রগুলোকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করার সিদ্ধান্ত হয়। সভায় আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে শুকনা খাবার এবং শিশুখাদ্যসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপকরণের ব্যবস্থা করা ও জনগণকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়ার জন্য পর্যাপ্ত যানবাহন প্রস্তুত রাখার সিদ্ধান্ত হয়।
ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) আওতায় প্রশিক্ষিত ৭৪ হাজার স্বেচ্ছাসেবক দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে চার নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।
শুক্রবার সকালে আবহাওয়া অধিদফতরের দেয়া বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের কাছে সাগর উত্তাল রয়েছে। এর প্রভাবে সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও চট্টগ্রাম স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৩-৫ ফুটের বেশি উচ্চতায় বাতাসের তোড়ে জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে। একই সম্ভাবনা রয়েছে জেলাগুলোর এবং তাদের কাছাকাছি দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চলের ক্ষেত্রেও।
দুর্যোগ/আরএম/কিউটি
















Leave a Reply