২৯ জুন ২০২১ (নিউজ ডেস্ক): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভ্যাকসিনের প্রাপ্যতা সম্পর্কে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন। বলেছেন, যত টাকাই লাগুক সরকার প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন সংগ্রহ করবে এবং পর্যায়ক্রমে ৮০ শতাংশ মানুষকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনা হবে।
মঙ্গলবার একাদশ জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশন-এর সমাপনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এবং সংসদ নেতা শেখ হাসিনা একথা বলেন। স্পিকার ডক্টর শিরীন শারমিন চৌধুরী এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
জীবন-জীবিকার প্রয়োজনে এবং অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের যে কোনো প্রয়োজনে দ্রুততার সাথে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে মানুষের পাশে দাঁড়াবেন বলেও প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, আমরা দেশের সব নাগরিককে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেয়ার ঘোষণা দিয়েছি। কাজেই ভ্যাকসিন সংগ্রহে যত টাকাই লাগুক না কেন আমরা সেই টাকা দেবো। পর্যায়ক্রমে দেশের ৮০ শতাংশ মানুষকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই বাজেটে স্বাস্থ্যখাতকে সর্বাধিক অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। ভ্যাকসিন কেনার জন্য ১৪ হাজার ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছি। ইতোমধ্যে এক কোটি ১৪ লাখ ৬ হাজার ডোজ ভ্যাকসিন সংগ্রহ করেছি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদন দেয়ার আগেই আমরা টাকা পাঠিয়ে ভ্যাকসিন বুক করেছি। দুর্ভাগ্যজনক যে ভারতে হঠাৎ করোনা এত ব্যাপকহারে বেড়ে গেল যে তারা ভ্যাকসিন রফতানি বন্ধ করে দেয়। তাই আমরা সাময়িকভাবে সমস্যায় পড়ে গেছি। কিন্তু বর্তমানে আমাদের ব্যবস্থা হয়ে গেছে। এখন আর কোনো সমস্যা হবে না। চীন, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্রসহ ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী সব কোম্পানির সাথে আমাদের যোগাযোগ অব্যাহত আছে। আশা করছি, জুলাই মাস থেকে আরও ভ্যাকসিন আসবে।
তিনি বলেন, যারা বিদেশ যাচ্ছে তাদের আগে ভ্যাকসিন দেয়ার পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। যাতে বিদেশে গিয়ে তাদের কোয়ারেন্টাইন করতে না হয়। কর্মস্থলে যেতে পারে সেই ব্যবস্থা নিয়েছি।
করোনা নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্যখাতে অতিরিক্ত বরাদ্দ, প্রণোদনা ও ক্ষতিপূরণ দেয়ার ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করেন সরকার প্রধান।
প্রধানমন্ত্রী জানান, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের টিকাদান ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। এই কার্যক্রম সম্পন্ন হলে আমরা কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিতে সক্ষম হবো। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুল ও মাদ্রাসা খুলে দেয়া হবে।
সংসদে প্রধানমন্ত্রী/আরএম/রমু












Leave a Reply