নিউজ ডেস্ক: বঙ্গভবন থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি নামানো উচিত হয়নি। এমনটাই বলেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও রক্তদান কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
রিজভী বলেন, খন্দকার মোশতাকও তার ছবি নামিয়েছিলেন আর জিয়াউর রহমান আবার টাঙিয়েছিলেন সেই ছবি।
ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ সরকার। এরপর দেশের দায়িত্ব নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। কিন্তু সরকার পতনের তিন মাস পেরিয়ে গেলেও বঙ্গভবন থেকে সরানো হয়নি শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি। এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা চলছে অনেক দিন আগে থেকেই।
এবার শেখ মুজিবুর রহমানের সেই ছবি সরিয়ে ফেলেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সদ্য নিয়োগ পাওয়া উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। রোববার তিনিসহ তিনজন নতুন উপদেষ্টা শপথ নিয়েছেন। এর আগে প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের বিশেষ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি।
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে শপথগ্রহণের পর দিনই শেখ মুজিবের ছবি বঙ্গভবন থেকে সরিয়ে ফেলেছেন তিনি। কেন এই ছবি সরিয়েছেন, তার ব্যাখ্যাও তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টে তুলে ধরেছেন।
মাহফুজ তার পোস্টে লিখেছেন, দরবার হল থেকে শেখ মুজিবুর রহমান-পোস্ট ‘৭১’ ফ্যাসিস্টের ছবি সরানো হয়েছে। এটা আমাদের জন্য লজ্জার যে আমরা ৫ আগস্টের পর বঙ্গভবন থেকে তার ছবি সরাতে পারিনি। যার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী। কিন্তু, মানুষের মধ্যে জুলাইয়ের চেতনা বেঁচে থাকা পর্যন্ত তাকে কোথাও দেখা যাবে না।
ক্ষমা ও ফ্যাসিস্টদের বিচার ছাড়া আওয়ামী লীগের সাথে কোনও সংলাপ হবে না বলেও জানান মাহফুজ।
এই উপদেষ্টা বলেন, শেখ মুজিব এবং তার কন্যা বাংলাদেশের জনগণের সাথে যা করেছেন তা আওয়ামী লীগকে অবশ্যই স্বীকার করতে হবে এবং ক্ষমা চাইতে হবে। অগণতান্ত্রিক ‘৭২’-এর সংবিধান থেকে শুরু করে দুর্ভিক্ষ, কোটি টাকা পাচার এবং হাজার হাজার ভিন্নমতাবলম্বী ও বিরোধীদের বিচারবহির্ভূত হত্যা (৭২-৭৫, ২০০৯-২০২৪)। তাহলে, আমরা ‘৭১-এর আগের শেখ মুজিবের কথা বলতে পারি। ক্ষমা ও ফ্যাসিস্টদের বিচার ছাড়া কোনও ধরনের সংলাপ হবে না।
রুহুল কবির রিজভী/এএমএম
আরও খবর পড়তে: artnewsbd.com
আর্ট নিউজ ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে: ARTNews BD
















Leave a Reply