বরিশালে শেষের পথে ট্রেনিং সেন্টার নির্মাণ কাজ

২০ নভেম্বর ২০২০ (নিউজ ডেস্ক): প্রায় ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে বরিশালে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার নির্মাণ কাজ শেষের পথে।

শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার প্রকল্পের উপ-সহকারি প্রকৌশলী (সিভিল) মোহাম্মদ সুমন জানিয়েছেন, মূল ভবনের শতভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এর আয়তন ৪০ হাজার বর্গফুট। বর্তমানে ক্যান্টিন, সাব-স্টেশন, রাস্তা, ওয়াল ও মূল ভবনের ফিনিশিং-এর কাজ চলছে।

প্রকৌশলী সুমনের উদ্ধৃতি দিয়ে বাসসের বরিশাল প্রতিনিধি শুভব্রত দত্ত জানিয়েছেন, ২০২১ সালের জুন মাসের মধ্যে প্রকল্পের পুরো কাজ সম্পন্ন হবে।

প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ করছে তথ্য ও যোগাযোগ বিভাগের বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ। রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টারটি নির্মিত হচ্ছে।

উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ সুমন জানান, প্রকল্পের কাজ শেষ হলে, সেখানে প্রায় ৩ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী একসাথে প্রশিক্ষণ নিতে পারবে। এতে দক্ষ জনশক্তির পাশাপাশি উদ্যোক্তাও সৃষ্টি হবে।

প্রকল্প সম্পর্কে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) প্রশান্ত কুমার দাস বলেন, মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের তথ্য প্রযুক্তিখাতে দক্ষ মানব সম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ক্ষেত্রে উদ্যোক্তা তৈরি, একাডেমিক ও তথ্য প্রযুক্তি শিল্পে শক্তিশালী সংযোগ স্থাপন এবং আইটি-আইটিইএস খাতে তরুণদের আত্ম-কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোই এ শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টারের লক্ষ্য।

তিনি জানান, এ সেন্টারে ইমেজ প্রসেসিং, ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট, মোবাইল অ্যাপস ও ডেভেলপমেন্ট, ফটোশপ, ডিজিটাল মার্কেটিং, ডাটা এন্ট্রি, কল সেন্টার এজেন্ট তৈরির মতো প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। বর্তমানে হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার সেবা খাতের যে প্রয়োজনীয় লোকবল দরকার সেটা মাথায় রেখেই প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে। ৬ মাস ব্যাপী সার্টিফিকেট কোর্স এবং ১ বছর থেকে ২ বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা কোর্স কারিকুলাম ডিজাইন করা হচ্ছে।

বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাদ সাদিক আব্দুল্লাহ বলেন, দেশের মেধাবী তরুণ প্রজন্মকে আইটি পেশার উপযোগী করে গড়ে তুললে তারা ভবিষ্যতে সহজেই কেপিও জগতে বিচরণ করতে পারবে। এ অঞ্চলের ফ্রিল্যান্সারদের এ পেশার সাথে জড়িত করে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করা সম্ভব হবে। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একটি সম্ভাবনাময় খাত।

প্রযুক্তি/এএমএম/আরএম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *