১৮ এপ্রিল ২০২১ (নিউজ ডেস্ক): প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেছেন, আইনজীবীদের কষ্ট হচ্ছে আমরা বুঝি। কিন্তু জীবনওতো আছে। জীবন ও জীবিকা লাগবে একসাথে। জীবন জীবিকা পাশাপাশি যায়। প্রথমে জীবন, তারপর জীবিকা।
রবিবার আপিল বিভাগের ভার্চ্যুয়াল কোর্টে বিচারিক কার্যক্রমের শেষ পর্যায়ে প্রধান বিচারপতি এসব কথা বলেন। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে ছয় সদস্যের ভার্চ্যুয়াল আপিল বেঞ্চে এই বিচারিক কার্যক্রম চলে।
এ সময় আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ এফ হাসান আরিফ ও আইনজীবী মোহাম্মদ ওজিউল্লাহ বক্তব্য রাখেন।
অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস প্রধান বিচারপতির উদ্দেশে বলেন, রোজা চলছে। সামনে ঈদ। হাইকোর্টের বেঞ্চ বাড়ানোর বিষয়টি যদি বিবেচনা করতেন।
উত্তরে প্রধান বিচারপতি বলেন, আপিল বিভাগ চলে মাত্র ৪০ জন স্টাফ দিয়ে। ছয় বিচারপতির জন্য ৪০ জন নয়, ৩৬ জন স্টাফ আসেন। তাও বয়স্ক ও মহিলাদের বাদ দিয়ে আপিল বিভাগে ৩৬ জন এবং হাইকোর্ট বিভাগে ১০০ জন আসেন।
প্রধান বিচারপতি বলেন, পুরো আদালত বন্ধ করি নাই। এ অবস্থায় পুরো আদালত বন্ধ থাকা উচিত ছিল। তাও কোর্ট চলছে। ধন্যবাদ জানাবেন সরকারকে যে আইনটি (আদালত কর্তৃক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার আইন) করে দিয়েছে। এমন আইন ভারত ও পাকিস্তানেও হয়নি।
আপিল বিভাগের বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেন, মিস্টার রুহুল কুদ্দুস, সমস্যা হচ্ছে কি… এখন হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগে ১৪০-১৪৫ জন স্টাফ আসেন। যদি হাইকোর্টে এখন ৩০-৪০ কোর্ট বা হাইকোর্ট সব ভার্চ্যুয়ালি খুলে দেয়া হলে আমাদের যে প্রায় আড়াই হাজার স্টাফ আছে, সবাইকে চলে আসতে হবে। তা না হলে কোর্ট চালানো যাবে না।
জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী বলেন, আমাদের যে স্টাফ আছে, তাদের প্রত্যেকের পরিবার আছে। সব স্টাফ যদি আমরা কোর্টে নিয়ে আসি, যদি আক্রান্ত হয়- এর দায়িত্ব কে নেবে?
প্রধান বিচারপতি বলেন, দশটি বেঞ্চের জন্য স্টাফ আনতে হবে এক হাজার। এখন এক হাজার স্টাফ আনতে আমি সাহস করি না।… দেখেন আগামী বুধবার কি হয়। সবাই ভালো থাকেন এবং বাসায় থাকেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কথা বলছি, ‘স্টে হোম, স্টে সেফ’।
















Leave a Reply