বাংলাদেশকে ১৮৫ রানের লক্ষ্য দিল ভারত

স্পোর্টস ডেস্ক: ভারতের বিপক্ষে টস জিতে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। শুরুতেই উইকেট তুলে নিয়ে ভারতকে চাপে ফেলার চেষ্টা করে বাংলাদেশ তবে বিরাট কোহলি এবং লোকেশ রাহুলের অর্ধশতকে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ভারত সংগ্রহ করে ১৮৪ রান।

বাংলাদেশের হয়ে ৩টি উইকেট তুলে নেন হাসান মাহমুদ আর সাকিব আল হাসান নেন দুটি উইকেট।

বোলিং করতে নেমে শুরুতেই ভারতীয় ব্যাটসম্যানেদের চেপে ধরে টাইগার পেসাররা। সুযোগ আসে ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই। বাউন্ডারি লাইনে হাসান মাহমুদ ফেলে দেন রোহিত শর্মার সহজ ক্যাচ। তবে পরের ওভারে তিনিই ফেরালেন ভারতীয় অধিনায়ককে।

ইনিংসের তৃতীয় ওভারে নিজের দ্বিতীয় ওভারে বল হাতে আসেন তাসকিন আহমেদ। প্রথম তিনটি বল অফ স্ট্যাম্পের বাইরে করেন তাসকিন আর চতুর্থ বলে এসেই স্ট্যাম্প বরাবর বল দেন তিনি। এই বল ফ্লিক করে ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে হাসান মাহমুদের হাতেই বল তুলে দেন রোহিত। তবে হাতের ওপরের ক্যাচ ফেলে রোহিতকে জীবন দেন হাসান মাহমুদ।

পরের ওভারে বল হাতে আসেন হাসান মাহমুদ। রোহিত শর্মাকে প্রথম বলটি ডট দেন পরের বলে রুম বানিয়ে আপারকাট খেলতে গিয়ে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে ইয়াসির আলী রাব্বির তালুবন্দি হন রোহিত শর্মা। ৮ বলে ২ রানে রোহিত শর্মা যখন ফিরছেন তখন স্কোরবোর্ডে ভারতের রান মাত্র ১১।

এরপর লোকেশ রাহুল আর বিরাট কোহলি মিলে ঘুরে দাঁড়ান। ঝড়ো গতিতে ফিফটি হাঁকান লোকেশ রাহুল। ৩০ বলে ফিফটি পূরণ করে সাকিব আল হাসানের বলে মুস্তাফিজুর রহমানের হাতে ক্যাচ তুলে দেন রাহুল। ভারত ১০ম ওভারে ভারত ৭৮ রানে হারায় দ্বিতীয় উইকেট।

চারে ব্যাট করতে আসা সূর্যকুমার যাদব ভয়ংকর হয়ে ওঠার আগেই ফিরিয়ে বাংলাদেশ দলে স্বস্তি ফেরান সাকিব আল হাসান। ব্যাট হাতে নেমেই বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চড়াও হন টি-টোয়েন্টি র‍্যাংকিংয়ের এক নম্বর ব্যাটার সূর্যকুমার যাদব। শরিফুল ইসলামের এক ওভার থেকেই নেন ২৪। এরপর রানের চাকার গতিও ধরে রাখেন তিনি। তবে তাকে বড় স্কোর গড়তে দেননি টাইগার অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।

১৪তম ওভারের তৃতীয় বলটি পেছনে সরে গিয়ে কাট করতে চেয়েছিলেন সূর্য। তবে সাকিব আল হাসানের দুর্দান্ত বলটি ভেতরে ঢুকে বোল্ড হন সূর্য। ১৬ বলে ৪টি চারে ৩০ রান করে ফেরেন তিনি। সাকিব আল হাসান ৪ ওভারে ৩৩ রান দিয়ে নেন লোকেশ রাহুল এবং সূর্যকুমারের উইকেট।

শেষ দিকে এসে দ্রুতই উইকেট হারায় ভারত। হার্দিক পান্ডিয়া ৬ বলে ৫ রান করে ফেরেন হাসান মাহমুদের বলে এরপর দীনেশ কার্তিক ৫ বলে ৭ রান করে রান আউট হয়ে ফেরেন দলীয় ১৫০ রানে। এরপর অক্ষত প্যাটেলকে নিজের তৃতীয় শিকার বানান হাসান মাহমুদ। তবে উইকেটের অপর প্রান্ত বিরাট কোহলির রানের চাকা সচল রাখেন। তুলে নেন অর্ধশতকও।

শেষ পর্যন্ত বিরাট কোহলির ৪৪ বলে অপরাজিত ৬৪ রানের ইনিংসের সাথে রবিচন্দ্রন অশ্বিন ৬ বলে ১৩ রানের ক্যামিও খেললে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ভারত থামে ১৮৪ রানে। বাংলাদেশের ৪ ওভারে ৪৭ রানের বিনিময়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন হাসান মাহমুদ। সাকিব আল হাসান ৪ ওভারে ৩৩ রান দিয়ে নেন দুটি উইকেট। বাংলাদেশের হয়ে ৪ ওভারে সর্বোচ্চ ৫৭ রান দিয়েছেন পেসার শরিফুল ইসলাম।

ক্রিকেট/এসকেএম

আরও খবর পড়তে: artnewsbd.com

আর্ট নিউজ ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে: ARTNews BD

https://www.youtube.com/channel/UCC2oLwZJYHIEygcbPX3OsWQ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *