ঢাকা, ২৬ অক্টোবর, ২০২০ (নিউজ ডেস্ক): সাজা ভোগ করতে কারাগারে নেয়া হয়েছে সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিম এবং তার দেহরক্ষী মোহাম্মদ জাহিদকে। এর আগে অবৈধ অস্ত্র ও মাদক রাখার দায়ে এক বছর করে তাদের কারাদণ্ড দিয়েছে র্যায়বের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

ইরফান সেলিমের বাসা থেকে উদ্ধার করা অস্ত্র, ওয়াকি টকি, মদ ও বিয়ার
সোমবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজধানীর সোয়ারিঘাটে হাজী সেলিমের বাড়িতে অভিযান চালায় র্যা বের একটি দল। সেখান থেকে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং ওই দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে র্যাাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের এই দণ্ড দেয়।
র্যা বের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল আশিক বিল্লাহ জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালতের এই দণ্ডের পাশাপাশি দুই জনের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে আলাদা দুইটি মামলা দায়ের করা হবে।
ইরফান ও তার সহযোগীদের হাতে নৌ-বাহিনীর একজন কর্মকর্তা মারধরের শিকার হওয়ার জেরে অভিযান চালায় র্যাাব। অভিযান শুরুর আগে র্যা ব দুপুর ১২টার দিকে সোয়ারিঘাটের দেবদাস লেনে হাজী সেলিমের বাড়ি ঘেরাও করে। অভিযানে র্যা বের নির্বাহী মেজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম উপস্থিত ছিলেন।
আশিক বিল্লাহ জানান, অভিযানে ওই বাড়ি থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, এক রাউন্ড গুলি, একটি এয়ারগান, ৩৭টি ওয়াকিটকি, একটি হাতকড়া এবং বিদেশি মদ ও বিয়ার পাওয়া গেছে। আগ্নেয়াস্ত্রের কোনো লাইসেন্স পাওয়া যায়নি। আর ওয়াকিটকিগুলোও অবৈধ।
রোববার রাতে ধানমণ্ডি এলাকায় হাজী সেলিমের গাড়ি থেকে নেমে নৌ-বাহিনীর এক কর্মকর্তাকে মারধর করে তার ছেলে ইরফান সেলিম। এই ঘটনায় সোমবার রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় একটি মামলা হয়। মামলায় ইরফান সেলিম ছাড়াও এবি সিদ্দিক দিপু, মোহাম্মদ জাহিদ ও মিজানুর রহমানের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত পরিচয় আরও তিনজনকে আসামি করা হয়।
মামলার বাদী নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ আহমেদ খান তাদের বিরুদ্ধে মারধর, জখম ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়ার অভিযোগ এনেছেন।
মামলা হওয়ার পরপরই গাড়ি চালক মিজানুর রহমানকে পুলিশ গ্রেফতার করে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়।
ইরফান/এএম/রমু
















Leave a Reply