কার মাটি কে বেঁচে

৭ জুন ২০২১ (নিউজ ডেস্ক, মাগুরা): মাগুরার জেলা প্রশাসক মাটি বিক্রি করেছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ড এমডি খালের মাটি খনন করছিল। সেই মাটি তিনি বিক্রি করেছেন স্থানীয় তিনটি ইটভাটায়। জেলা প্রশাসনের লিখিত অনুমোদন পেয়েই ইটভাটার মালিকেরা মাটি নিচ্ছেন নিজেদের জিম্মায়। সরকারি কোষাগারেও জমা দেননি কোন টাকা। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসনের সাথে টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের।

পানি উন্নয়ন বোর্ড মাটি কেনা-বেঁচার হিসাব চেয়ে লিখিত চিঠি দিয়েছে জেলা প্রশাসনকে। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে বিগত সময়ে খনন করা নদী-খালের মাটি বিক্রির টাকার হিসাব চেয়েছে জেলা প্রশাসন।

মাগুরা পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, মহম্মদপুর উপজেলার বিনোদপুর, রাজাপুর, বালিদিয়া ও বাবুখালি ইউনিয়নের মধ্যদিয়ে প্রবাহিত এমডি খাল। যার আয়তন প্রায় ১৫ কিলোমিটার। খালটি স্থানীয়ভাবে কাচিকাটা বা নারানপুর খাল নামেও পরিচিত। মেসার্স আবুল কালাম আজাদ অ্যান্ড মিজানুর আলম জেবি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকা প্রাক্কলিত মূল্যের খালটি খনন করছে। ইতোমধ্যে এর ৯০ শতাংশ খনন কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

এদিকে, দৈনিক যুগান্তর সূত্রে জানা গেছে, মাগুরা জেলা প্রশাসক একক সিদ্ধান্তে খালপাড়ে জমা করা মাটি প্রতি ঘনমিটার ১০ টাকা হারে বিক্রি করে দিয়েছে। স্থানীয় ফাইভ স্টার ব্রিকস, সোয়েব ব্রিকস ও মোল্যা ব্রিকস এ মাটি কিনে নেয়।

মাটি বিক্রি এবং আর্থিক হিসাব প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক ডক্টর আশরাফুল আলম গণমাধ্যমকে জানান, নদী-খাল রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পানি উন্নয়ন বোর্ডের। কিন্তু ভূমি বা মাটির মালিক তারা নয়। কয়েক বছরে অন্তত ৩০টি খাল ও নদী খনন করা হয়েছে। কোটি কোটি টাকার কাজের মাটি বিক্রি করা হলেও তার হিসেব নেই। পানি উন্নয়ন বোর্ডকে সেই হিসেব দিতে হবে।

তিনি বলেন, প্রয়োজনে ভাটা মালিকদের বিনামূল্যে মাটি দিয়ে দেয়া হবে। এতে করে কৃষি জমি খনন বন্ধ হবে।

মাটি বিক্রি/টিটি/কিউটি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *