বাংলাদেশি পাসপোর্টে ভিসা পাবেন কি করে? (ভিডিও-সহ)

ডিজিটাল ডেস্ক:

শিরোনাম: বাংলাদেশি পাসপোর্টে ভিসা পাবেন কি করে?

আলোচক: রহমান মুস্তাফিজ; প্রধান সম্পাদক, আর্ট নিউজ

চিত্রধারণ: আনান মুস্তাফিজ

শব্দধারণ: তৃমা আনালিয়া

গ্রন্থণা নির্দেশনা: কাজী তামান্না

দৈর্ঘ্য: ৫১ মিনিট ০৫ সেকেন্ড

বিস্তারিত তথ্য: কিছু দেশে বাংলাদেশিদের জন্য পোর্ট এন্ট্রি বা অন অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধা রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি দেশ হল: ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল, কম্বোডিয়া, পূর্ব তিমুর, শ্রীলঙ্কা, সেশেলস, মৌরিতানিয়া, গিনি বিসাউ, মাদাগাস্কার, রুয়ান্ডা, বুরুন্ডি, কমোরোস, সিয়েরা লিওন, সোমালিয়া, বলিভিয়া এবং কিছু ক্যারিবীয় দ্বীপ।

আরও কিছু দেশে অন অ্যারাইভাল ভিসা বা ভিসা-ফ্রি প্রবেশের সুযোগ রয়েছে, তবে তা নির্দিষ্ট কিছু শর্তের ওপর নির্ভরশীল। কিছু দেশে ই-ভিসারও ব্যবস্থা রয়েছে, যা অনলাইনে আবেদন করে সংগ্রহ করা যায়।

১০ আগস্ট বিশ্বের পাসপোর্টগুলোর র‌্যাংকিং প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থা দ্য হ্যানলি অ্যান্ড পার্টনার্স। শক্তিশালী পাসপোর্টের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান ১০৪ দেশের মধ্যে এখন ৯৭তম।

তথ্য বলছে, বাংলাদেশের পাসপোর্টধারী ব্যক্তিরা এখন আগাম ভিসা ছাড়া বিশ্বের ৪২টি দেশ ও অঞ্চলে ভ্রমণ করতে পারেন। এ তালিকায় ছয়টি এশিয়ার দেশ আছে। এ ছাড়া আছে আমেরিকার একটি, আফ্রিকার ১৫টি, ক্যারিবীয় ১১টি ও ওশেনিয়ার ৭টি দেশ ও অঞ্চল। এর মধ্যে কিছু দেশ ও অঞ্চলে (এক তারকা চিহ্নিত) অন অ্যারাইভাল বা বিমানবন্দরে নামার পর ভিসার সুবিধা পান বাংলাদেশিরা। শ্রীলঙ্কার ক্ষেত্রে নিতে হবে ই-ভিসা।

পোর্ট এন্ট্রি নিয়ে বাংলাদেশের পাসপোর্টে মোট ৪২টি দেশে যাওয়া যায়।
* এশিয়ার ৬টি দেশে রয়েছে পোর্ট এন্ট্রি সুবিধা। দেশগুলো হচ্ছে- ভুটান, কেম্বোডিয়া, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও পূর্ব তিমুর।

* দক্ষিণ আমেরিকার ১টি দেশে রয়েছে পোর্ট এন্ট্রি সুবিধা। দেশটি হচ্ছে- বলিভিয়া*।

* আফ্রিকার ১৫টি দেশে রয়েছে পোর্ট এন্ট্রি সুবিধা। এগুলো হচ্ছে- বুরুন্ডি, কেপ ভার্দে, কমোরো দ্বীপপুঞ্জ, জিবুতি, গিনি-বিসাউ, লেসোথো, মাদাগাস্কার, মৌরিতানিয়া, মোজাম্বিক, রুয়ান্ডা, সেশেলস, সিয়েরা লিওন, সোমালিয়া, গাম্বিয়া, টোগো ও কেনিয়া।

ক্যারিবীয়র ১১ দেশ ও অঞ্চলে রয়েছে পোর্ট এন্ট্রি সুবিধা। দেশ ও অঞ্চলগুলো হচ্ছে- বাহামা, বার্বাডোস, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ড, ডমিনিকা, গ্রানাডা, হাইতি, জ্যামাইকা, মন্টসেরাত, সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস, ভিনসেন্ট অ্যান্ড দ্য গ্রেনাডাউন ও ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো।

ওশেনিয়ার ৭টি দেশ ও অঞ্চলে রয়েছে পোর্ট এন্ট্রি সুবিধা। দেশ ও অঞ্চলগুলো হচ্ছে- কুক আইল্যান্ড, ফিজি, মাইক্রোনেশিয়া, নুউয়ে, সামোয়া, টুভালু, ভানুয়াতু এবং কিরিবাতি।

পোর্ট এন্ট্রি বা অন অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধা: 

  • এই সুবিধা সাধারণত পর্যটকদের জন্য প্রযোজ্য।
  • নির্দিষ্ট কিছু দেশে ভ্রমণের জন্য এই ভিসা সুবিধা পাওয়া যায়।
  • ভিসার জন্য আবেদন করার জন্য ভিসার জন্য আবেদন করার জন্য একটি নির্দিষ্ট ফর্ম পূরণ করতে হবে এবং কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে।
  • কিছু দেশে ভিসার জন্য ফি প্রযোজ্য হতে পারে।
  • ভিসা সাধারণত ৩০ দিনের জন্য বৈধ হয়, তবে কিছু দেশে এর মেয়াদ কম বা বেশি হতে পারে।
  • এই ভিসা ব্যবহারের মাধ্যমে বিমানবন্দরে বা অন্যান্য প্রবেশ পথে ভিসা সংগ্রহ করা যায়।

ভিসা ছাড়া ভ্রমণের সুযোগ:

  • কিছু দেশে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করতে পারেন।
  • উদাহরণস্বরূপ, ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল, কম্বোডিয়া, পূর্ব তিমুর, এবং শ্রীলঙ্কায় ভিসা ছাড়া ভ্রমণের সুযোগ রয়েছে।
  • ভিসা ছাড়া ভ্রমণের সুযোগ সীমিত, তাই ভ্রমণের পূর্বে সেই দেশের ভিসা নীতি সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া উচিত।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

  • ভিসা এবং অন অ্যারাইভাল ভিসার নিয়মাবলী দেশভেদে ভিন্ন হতে পারে।
  • ভ্রমণের পূর্বে সেই দেশের দূতাবাস বা কনস্যুলেট থেকে ভিসার নিয়মাবলী নিশ্চিত করা উচিত।
  • আপনার ভ্রমণের উদ্দেশ্য এবং ভিসার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নিন।
  • কিছু দেশে অন অ্যারাইভাল ভিসা শুধুমাত্র পর্যটকদের জন্য প্রযোজ্য, তাই ব্যবসার উদ্দেশ্যে ভ্রমণের জন্য ভিসার জন্য আবেদন করা উচিত।
  • ভিসা এবং অন অ্যারাইভাল ভিসা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যের জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস বা কনস্যুলেটের ওয়েবসাইটে দেখুন।

ভিসা/এএমটি/এএমএম

 

আরও খবর পড়তে NRB365.com

আর্ট নিউজ ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতেART News BD Plus

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *