নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের জনসংখ্যা ৮০০ কোটিতে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলার তোন্দো শহরে জন্ম নেয়া ভিনিস মাবাসাংকে বিশ্বের ৮০০ কোটিতম মানুষ (প্রতীকী) হিসাবে ধরা হচ্ছে। এদিন ৭০০ কোটির কোটা থেকে বেড়ে ৮০০ কোটিতে পৌঁছায় বিশ্বের জনসংখ্যা।
ম্যানিলার ডক্টর জোস ফাবেলা মেমোরিয়াল হাসপাতালে স্থানীয় সময় রাত ১টা ৩০ মিনিটে ভিনিস মাবাসাংয়ের জন্ম হয়। খবর: এনডিটিভি।
ফিলিপাইনের জনসংখ্যা ও উন্নয়ন কমিশন শিশুটির জন্ম উদ্যাপন করে। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শিশু ও তার মায়ের ছবি প্রকাশ করে তারা। এ ব্যাপারে ফেসবুকে ফিলিপাইনের জনসংখ্যা ও উন্নয়ন কমিশন লিখেছে, ম্যানিলার তোন্দোতে একটি মেয়েশিশুর জন্মের মাধ্যমে জনসংখ্যার আরেকটি মাইলস্টোনে পৌঁছেছে বিশ্ব। বিশ্বের ৮০০ কোটিতম মানুষের প্রতীকী শহর হিসাবে ম্যানিলাকে বেছে নেয়া হয়।
তারা আরও জানায়, ডক্টর জোস ফাবেলা মেমোরিয়ালে কমিশনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে নার্সরা শিশু ভিনিসকে বরণ করে নেন।
জাতিসংঘ বলছে, বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্নতি হওয়ায় জনসংখ্যার নতুন এ মাইলস্টোন ছুঁয়েছে বিশ্ব। স্বাস্থ্যব্যবস্থা উন্নত হওয়ায় মৃত্যুহার কমেছে এবং মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে। এ কারণে বেড়েছে মানুষের সংখ্যা। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এক বিবৃতিতে বলেছেন, এ গৃহের মানবতার দায়িত্বশীলতা ভাগ করে নেয়ার বিবেচনার মধ্য দিয়ে এ মাইলফলকটির বৈচিত্র্য ও অগ্রগতি উদযাপন করতে হবে। এমন অনন্য মাইলস্টোন স্পর্শ করার পর জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিল টুইটে লিখেছে, ৮০০ কোটি আশা, ৮০০ কোটি স্বপ্ন, ৮০০ কোটি সম্ভাবনা। আমাদের গ্রহ এখন ৮০০ কোটি মানুষের আবাসস্থল।
জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিলের প্রধান নাতালিয়া কানেম বলেছেন, কেউ কেউ উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে আমাদের পৃথিবী অতিরিক্ত জনসংখ্যার বোঝায় পরিণত হয়েছে। কিন্তু আমি এখানে স্পষ্টভাবে বলতে চাই-নিছক মানুষের সংখ্যা ভয়ের কারণ নয়। জনস্বাস্থ্য, পুষ্টি, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা এবং ওষুধের উন্নতির সুবাদে মানব উন্নয়নের পাশাপাশি মানুষের আয়ু বেড়েছে। এটি উচ্চ প্রজনন হারের ফলাফল, বিশ্বের দরিদ্রতম দেশগুলো বিশেষ করে সাব-সাহারান আফ্রিকায় উন্নয়ন লক্ষ্যগুলোকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে।
বিশ্ব জনসংখ্যা/এসকেএম
আরও খবর পড়তে: artnewsbd.com
আর্ট নিউজ ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে: ARTNews BD
















Leave a Reply