৩০ এপ্রিল ২০২১ (আন্তর্জাতিক ডেস্ক): পানি নিয়ে বিতর্কের জেরে কিরগিজস্তান ও তাজিকিস্তানের সীমান্তে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নিহত হয়েছেন অন্তত ১৩ জন। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেছেন আরও অন্তত ১০ হাজারের ও বেশি মানুষ।
বহু বছর ধরে দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত নিয়ে বিতর্ক চললেও এটিই সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘর্ষ। খবর: বিবিস।
বুধবার দুই প্রতিবেশীর মধ্যে প্রথম সংঘাত শুরু হয়। তখন পানি স্থাপনায় নজরদারি ক্যামেরা বসানোর পর দুই পক্ষ থেকে পরস্পরের প্রতি পাথর নিক্ষেপ করা হয়।
কিরগিজের পক্ষ থেকে হতাহতের সংখ্যা জানা গেলেও তাজিকের তরফ থেকে স্পষ্ট করে কিছু জানা যায়নি।
সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে কিছু ভবনে অগ্নিদগ্ধ হতে দেখা গেছে। কিরগিজস্তানের বাতকিন অঞ্চল ঘিরে এই দ্বন্ধ।
বাতকিন অঞ্চলের গভর্নর বলেন, পানিতে নজরদারি যন্ত্র সরিয়ে নিতে দুই পক্ষ সম্মত হয়েছে। কিন্তু তাজিকিস্তান পরে তা অস্বীকার করে।
এরপরই সীমান্তরক্ষীরা দ্রুত তৎপর হয়ে ওঠে। দুইপক্ষের সামরিক ইউনিট থেকে বৃহস্পতিবার পাল্টাপাল্টি গুলি শুরু হয়।
পরে এদিনই কার্যকর হয় যুদ্ধবিরতি। সশস্ত্র বাহিনী ঘাঁটিতে ফিরতে শুরু করে।
বাতকিন পুলিশের এক প্রতিনিধি জানান, রাতেও গোলাগুলি চলেছে। দুই পক্ষের সামরিক ইউনিট এবং বেসামরিক লোকদের মধ্যেও গুলি চলেছে।
সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর ১৯৯১ সালে স্বাধীনতা লাভ করে কিরগিজস্তান ও তাজিকিস্তান। তখন থেকেই দুই দেশের মধ্যে সীমানা নির্ধারণ নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়ে আসছে।
সংঘর্ষ/এসকেএম















