৫ জানুয়ারি ২০২২ (নিউজ ডেস্ক): নবম ধাপে কক্সবাজারের উখিয়া থেকে আরও ৭০৫ জন রোহিঙ্গাকে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার ভাসানচরে নেয়া হচ্ছে।
বুধবার ২ দফায় ১৬টি বাসে তাদের প্রথমে চট্টগ্রামে পাঠানো হয়। এর মধ্যে বেলা ২টার দিকে ৯টি বাসে ৪১৪ জন এবং বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ৭টি বাসে ২৯১ জন রোহিঙ্গাকে চট্টগ্রাম পাঠানো হয়।
স্থানান্তর কার্যক্রম পরিচালনা করছে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) কার্যালয় ও বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও)।
১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক ও পুলিশ সুপার নাঈমুল হক বলেন, স্বেচ্ছায় ভাসানচরে যেতে ইচ্ছুক রোহিঙ্গাদের ছোট ছোট বাস ও ট্রাকযোগে উখিয়া ডিগ্রি কলেজের মাঠে আনা হয়। বেলা দুইটার দিকে ‘চল চল ভাসানচর চল’ স্টিকারযুক্ত বাসে করে দিনের প্রথম ধাপে নয়টি ও দ্বিতীয় ধাপে সাতটি বাস ছাড়া হয়েছে। আজ রাতের মধ্যেই তাদের চট্টগ্রামে পৌঁছানোর কথা।
আজ সকালে উখিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে গিয়ে দেখা গেছে, ছোট ছোট বাস ও ট্রাকযোগে রোহিঙ্গাদের সেখানে জড়ো করা হচ্ছিল। দুপুর সাড়ে ১২টার মধ্যে ৩ শতাধিক রোহিঙ্গা কলেজ মাঠে হাজির হয়ে যায়। স্থানান্তর নিবন্ধন কার্যক্রম শেষে তাদের দুপুরের খাবার পরিবেশন করা হয়। বেলা দুইটার দিকে রোহিঙ্গাদের গাড়িতে ওঠানো হয়।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে রোহিঙ্গা স্থানান্তরের জন্য সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ৩ হাজার ৯৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ১৩ হাজার একর আয়তনের ওই জায়গায় ১ লাখ রোহিঙ্গা বসবাসের উপযোগী ১২০টি গুচ্ছগ্রামের অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। এর আগে ৮ দফায় মোট ১৯ হাজার ৫০০ জন রোহিঙ্গাকে কক্সবাজার থেকে ভাসানচর আশ্রয়শিবিরে স্থানান্তর করা হয়েছিল।
আরআরআরসি কার্যালয় সূত্র জানায়, কক্সবাজারের আশ্রয়শিবিরের চাপ কমাতে অন্তত এক লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরের আশ্রয়শিবিরে সরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা আছে সরকারের।
রোহিঙ্গা/এসকেএম
আর্ট নিউজ ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে:













Leave a Reply