৩০ জানুয়ারি ২০২২ (নিউজ ডেস্ক): কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরগুলো থেকে দশম দফায় ১২০০ রোহিঙ্গা নাগরিককে নোয়াখালীর ভাসানচরে নেয়া হচ্ছে।
রোববার দুপুরে ১৩টি বাসে ৭০০ রোহিঙ্গা শরণার্থী ভাসানচরের উদ্দেশে রওনা দেন। বাকি ৫০০ জন বিকাল ৫টার দিকে ১১টি বাসে রওনা হন।
উখিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠ থেকে ভাসানচরের উদ্দেশে চট্টগ্রামে রওনা দেন এসব রোহিঙ্গা পরিবার।
এর আগে সকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী স্বেচ্ছায় ভাসানচরে যেতে ইচ্ছুক রোহিঙ্গাদের সপরিবারে উখিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে নিয়ে আসে।
শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের প্রতিনিধি (সিআইসি) তানবির আহমেদ বলেন, ভাসানচরের উদ্দেশে রোহিঙ্গাদের একটি দল ক্যাম্প ত্যাগ করেছে। মূলত তারা চট্টগ্রামে রাতে পৌঁছবেন। পরের দিন সকালে সেখান ভাসানচরে পৌঁছার কথা রয়েছে। আমরাও সেভাবে প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। এবার ১২০০ রোহিঙ্গা স্বেচ্ছায় ভাসানচরে আসতে রাজি হয়েছেন।
অতিরিক্ত ত্রাণ ও শরণার্থী প্রত্যাবাসন কমিশনার শামসুদ্দৌজা নয়ন জানান, দুপুরে ৭০০ জন রোহিঙ্গার একটি দল উখিয়া থেকে ভাসানচরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। আর বিকালে ৫০০ জন রওনা হয়েছেন।
এদিকে গত বছরের ডিসেম্বর থেকে নবম দফায় ২০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গাকে সরকার ভাসানচরে পাঠায়। এছাড়া গত বছর মে মাসে অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার চেষ্টা করা ৩০৬ রোহিঙ্গাকে সমুদ্র থেকে উদ্ধার করে সেখানে নিয়ে রাখা হয়।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে রোহিঙ্গা স্থানান্তরের জন্য সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ৩ হাজার ৯৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ১৩ হাজার একর আয়তনের ওই চরে এক লাখ রোহিঙ্গা বসবাসের উপযোগী ১২০টি গুচ্ছগ্রামের অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। ভাসানচরের পুরো আবাসন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।
রোহিঙ্গা সংকট/এসকেএম
আর্ট নিউজ ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে:













Leave a Reply