১০ এপ্রিল ২০২১ (নিউজ ডেস্ক, চট্টগ্রাম): হেফাজতে ইসলামের নেতাসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, এরা হাটহাজারি থানা ভবন, ভূমি অফিস ও ডাকবাংলোতে ভাংচুর ও আগুন লাগিয়েছে। শুক্রবার রাতে তাদের আটক করা হয়।
শনিবার রাতে চট্টগ্রাম জেলা (উত্তর) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফজারুল হক টুটুল গ্রেফতারের কথা নিশ্চিত করেন।
জানা গেছে, হেফাজতে ইসলামের হাটহাজারি পৌরসভা শাখার সহ-সভাপতি, কামরুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, মোহাম্মদ হাসান, কাপড়ের দোকানদার মোজাম্মেল হক ও ২৮ বছর বয়েসি মারুফ।
৪৪ বছর বয়েসি হেফাজত নেতা কামরুল ইসলামফটিকছড়ি উপজেলার ভূজপুর থানার বাগানবাজার এলাকার পুরান রামগড় কাজীবাড়ির মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর ছেলে। বর্তমানে তিনি শাহজালাল পাড়ার রিজিয়া ভবনে ভাড়া থাকেন। হাটহাজারি মাদরাসার সামনে জেলা পরিষদ মার্কেটে আজিজিয়া টেইলার্স নামে তার একটি দর্জির দোকান আছে।
আজিজিয়া টেইলার্সের কর্মচারি মোহাম্মদ মারুফের বাড়ি নরসিংদী জেলায়। মারুফ শিবপুর থানার মাছিমপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চৌঘরিয়া সবদর চেয়ারম্যান বাড়ির মোরশেদের ছেলে। তিনি ২০১৪ সালে হাটহাজারি মাদরাসা থেকে দাওরা হাদিস পাশ করেন।
২৫ বছর বয়েসি হেফাজত নেতা মোহাম্মদ হাসান হাটহাজারি পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আদর্শ গ্রামের উত্তর পাহাড় এলাকার কবির আহাম্মদের ছেলে। তিনি চায়ের দোকানদার।
২৩ বছর বয়েসি মোজাম্মেল হক উপজেলার ফতেহপুর ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সামছু সওদাগরের বাড়ির আবু তাহেরের ছেলে। তিনি চট্টগ্রামের দারুল মারুফ মাদরাসা থেকে মেশকাত পাশ করেছেন।
পুলিশ কর্মকর্তা আজহারুল হক টুটুল জানান, ঘটনার সময়কার ভিডিও ফুটেজে তাদের কয়েকজনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৬ মার্চ চট্টগ্রামের হাটহাজারিতে হেফাজতে ইসলামের বিক্ষোভকালে থানায় হামলা ও ভাংচুর এবং পুলিশ সদস্যদের আক্রমণের অভিযোগে ৩০ মার্চ রাতে থানায় ৪টি মামলা দায়ের করা হয়।
এছাড়া, হাটহাজারি ভূমি অফিস ভাংচুর ও আগুন দেয়ার ঘটনায় দুইটি এবং উপজেলা ডাকবাংলো ভাংচুর ও আগুন দেয়ার ঘটনায় তিনটি মামলা হয়েছে।
এসব মামলায় গত বুধবার পুলিশ আরও চারজনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতার/টিটি/আরএম
















Leave a Reply