নিউজ ডেস্ক: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দায়ের করা মামলায় অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে তারেক রহমান এবং তার স্ত্রী জোবায়দা রহমানের বিচারের রায় স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় হয়েছে। এমনটাই বলেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডক্টর হাছান মাহমুদ।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এ সব কথা বলেন।
হাছান মাহমুদ বলেন, আমাদের সরকার এই মামলা দায়ের করে নাই। বিএনপির পছন্দের তত্ত্বাবধায়ক সরকারই এই মামলা করেছিল। আমাদের সরকার যদি প্রতিহিংসা পরায়ণ হতো, তাহলে আমরা মামলা করতাম। আর রায়ের জন্যও ১৪ বছর অপেক্ষা করতে হতো না, অনেক আগেই রায় হতো।
তিনি বলেন, রায়ের সাথে সাথে বিএনপি একটি সংবাদ সম্মেলন করেছে। আজকে এবং আগামীকালও তাদের কর্মসূচি আছে। কিন্তু আমাদের সরকারের আমলে এই মামলা হয়নি। এই মামলা হয়েছে বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে। যখন ইয়াজউদ্দিন সাহেবকে বেগম খালেদা জিয়া রাষ্ট্রপতি বানিয়েছিলেন। আর বিশ্বব্যাংকে কর্মরত ফখরুদ্দীন সাহেবকে ধরে এনে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, আর সেই সেনাসমর্থিত সরকারের সেনাবাহিনীর প্রধান বানানো হয়েছিল ৭ জনকে ডিঙ্গিয়ে। তাদের পছন্দের মানুষরাই যখন ক্ষমতায়, তখন এই মামলা দায়ের হয়েছিল, আর সেই মামলায় তাদের শাস্তি হয়েছে।
রায় নিয়ে বিএনপির বিরূপ মন্তব্যের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আইন-আদালত কোনও কিছুর ওপরই তো বিএনপির কোনও আস্থা নেই। কোনো কিছুকে তারা তোয়াক্কা করে না, শুধু ক্ষণে ক্ষণে বিদেশিদের কাছে যায়। আমরা বিদেশিদের কাছে যাই না, বিদেশিরা প্রয়োজনে আমাদের কাছে আসে।
তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, যুক্তরাজ্য সরকারের সাথে আমাদের আলোচনা চলছে।
বুধবার রংপুরে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা প্রসঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভা প্রকৃত অর্থে স্মরণকালের বিশাল জনসমুদ্রের রূপ নিয়েছিল। এতেই প্রমাণিত হয় দেশের মানুষ শেখ হাসিনাকে কতটুকু ভালোবাসেন। এতেই প্রমাণিত হয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের ওপর দেশের মানুষের আস্থা, বিশ্বাস, সমর্থন আছে।
হাছান মাহমুদ বলেন, আমরা রংপুর শহরে জেলা স্কুল মাঠে জনসভার ডাক দিয়েছিলাম, কিন্তু কার্যত পুরো রংপুর শহরই জনসভাস্থলে রূপান্তরিত হয়। হুইল চেয়ারে বসে ৯৬ বছর বয়সী ভাষা সৈনিক মুক্তিযোদ্ধা, বৃদ্ধ মহিলাসহ লাখ লাখ মানুষ সেখানে যোগদান করেছে। মাঠের বাইরে চার থেকে পাঁচ কিলোমিটারব্যাপী জনসভাস্থলের চেয়ে অন্তত ১০ গুণ বেশি মানুষ ছিল। শেখ হাসিনাকে সম্ভাষণ জানানোর জন্য মানুষের মধ্যে যে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা আমরা দেখতে পেয়েছি, তাতে আমরা অভিভূত হয়েছি।
তথ্যমন্ত্রী/এমএএম
আরও খবর পড়তে: artnewsbd.com
আর্ট নিউজ ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে: ARTNews BD
















Leave a Reply