সন্তানের জন্য অভিনয় ছাড়তেও আপত্তি নেই দীপিকার

বিনোদন ডেস্ক: প্রথমবারের মতো মা-বাবা হলেন বলিউডের তারকা দম্পতি দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর সিং। গতকাল রোববার সকালে মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে কন্যাসন্তানের জন্ম দেন দীপিকা।

ইনস্টাগ্রামে এক যৌথ বিবৃতিতে সংসারে নতুন অতিথি আসার খবর নিশ্চিত করেছেন দীপিকা-রণবীর।

গতকাল বাংলাদেশ সময় বিকেলে ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে দীপিকা-রণবীর লিখেছেন, ওয়েলকাম বেবি গার্ল! তাদের এই পোস্টে দুই তারকার ভক্ত-অনুসারী থেকে বলিউড তারকারা শুভকামনা জানিয়েছেন।

এর আগে গত শনিবার বিকেলে মুম্বাইয়ের হাসপাতালে ভর্তি হন দীপিকা। তখন থেকেই অপেক্ষায় ছিলেন ভক্তরা। অবশেষে গতকাল এল সুখবর। কিছুদিন আগেই মাতৃত্বকালীন ফটোশুটে ধরা দেন দীপিকা। অভিনেত্রীর সেই বেবিবাম্প ফটোশুটের ছবিও প্রশংসিত হয় অন্তর্জালে।

আগে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে রণবীর জানিয়েছিলেন, তিনি কন্যাসন্তান চান। আমি চাই, মেয়ে হোক, দীপিকার মতো কন্যা পেলে জীবন পূর্ণ হয়, বলেছিলেন তিনি। অন্যদিকে ভোগ সাময়িকীতে দেয়া সাক্ষাৎকারে দীপিকাও বলেছিলেন, তিনি বাচ্চাকাচ্চা ভালোবাসেন। এমনকি সন্তানের জন্য অভিনয় ছাড়তেও তার আপত্তি নেই।

বিয়ের ছয় বছরের মাথায় চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রথম সন্তান আসার খবর জানিয়েছিলেন রণবীর-দীপিকা। এরপর রোহিত শেঠির কপ ইউনিভার্সের নতুন কিস্তি ‘সিংহাম অ্যাগেইন’-এর শ্যুটিংয়ে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় অ্যাকশন দৃশ্যে দেখা যায় অভিনেত্রীকে, তখন অবশ্য সেভাবে তার বেবিবাম্প বোঝা যায়নি। দীপিকার বেবিবাম্প প্রকাশ্যে আসে ভারতীয় লোকসভা নির্বাচনের ভোটের দিন। এরপর গত জুন মাসে কল্কি ২৮৯৮ এডির প্রচারে কথা বলেন অভিনেত্রী।

জানান, ছবিটিতে তিনি অভিনয় করেছেন অন্তঃসত্ত্বা নারীর চরিত্রে। শ্যুটিং যখন শুরু করেন, তখন তিনি অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন না কিন্তু ছবিটি মুক্তির সময় পর্দার মতো তিনিও প্রথম সন্তান জন্ম দেয়ার অপেক্ষায়!

২০১৩ সালে ‘গোলিও কি রাসলীলা: রামলীলা’ ছবির শ্যুটিংয়ের সময় শুরু হয় দীপিকা ও রণবীরের প্রেম। পরে ‘বাজিরাও মস্তানি, পদ্মাবত, ৮৩’ ইত্যাদি ছবিতে তাদের জুটি হিসেবে দেখা গেছে। ২০১৮ সালের ১৪ নভেম্বর ইতালিতে বিয়ে করেন দীপিকা-রণবীর।

দীপিকা/এএমএম

আরও খবর পড়তে: artnewsbd.com

আর্ট নিউজ ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে: ARTNews BD

https://www.youtube.com/channel/UCC2oLwZJYHIEygcbPX3OsWQ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *