নিউজ ডেস্ক: কেরানীগঞ্জে একটি কেমিক্যাল গোডাউনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে আগুনে পুড়ে মারা গেছে গোডাউনসংলগ্ন বাসায় ঘুমিয়ে থাকা বাবা, মা, সন্তানসহ একই পরিবারের ৫ জন।
মৃতরা হলেন- গোডাউনের কেয়ারটেকার সোহাগ মিয়া, তার স্ত্রী মিনা ও তার শিশু সন্তান তাইয়েবা, ভাবি জেসমিন আক্তার ও জেসমিনের মেয়ে ইশা। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন সোহাগের মেয়ে তানহা, পিতা হানিফ ও মা পারুল। তাদের গুরুতর অবস্থায় রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে কালিন্দী ইউনিয়নের গদারবাগ এলাকায় স্বাদ গ্লাস অ্যান্ড পলিমার নামে একটি প্রতিষ্ঠানের গোডাউনে আগুন লেগে হতাহতের ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, গোডাউনের মালিক হাজী আবুল হাসনাত টুটুল। তিনি আবাসিক এলাকায় জমি কিনে টিনশেড দিয়ে গোডাউন বানিয়েছেন। গোপনে সেই গোডাউনে কেমিক্যাল মজুদ করেছিলেন। গোডাউন দেখাশুনা করার জন্য সোহাগ মিয়াকে কেয়ারটেকার নিয়োগ দেন।
গোডাউনের পাশে কয়েকটি ঘর তুলে দিয়েছেন মালিক টুটুল। সেখানে স্ত্রী, দুই কন্যাকে নিয়ে সোহাগ মিয়া বসবাস করতেন। পাশাপাশি সোহাগের বড় ভাইয়ের স্ত্রী জেসমিন ও ভাতিজা ইশা এবং সোহাগের পিতা-মাতাও সেখানে থাকতেন। সোহাগের বড় ভাই মিলন সৌদি প্রবাসী।
কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) খালেদুর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। পরে তা ছড়িয়ে পড়ে কেয়ারটেকার সোহাগের ঘরসহ আশপাশের কয়েকটি ভবনে। এতে সোহাগ, তার স্ত্রী, সন্তানসহ পরিবারের ৫ জন মারা গেছেন। আহত হয়েছেন কয়েকজন। তবে নিহতের স্বজনরা বিনা ময়নাতদন্তে মরদেহ নেয়ার আবেদন করেছেন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত মোতাবেক মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। গোডাউনের মালিক হাজী টুটুল গা-ঢাকা দিয়েছেন। তাকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
অগ্নিকাণ্ড/এমএএম
আরও খবর পড়তে: artnewsbd.com
আর্ট নিউজ ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে: ARTNews BD














Leave a Reply