সাঈদীর সাথে একই বাউন্ডারিতে ঈদ করলেন পাপিয়া-সাবরিনা। মৌবনের ইজারাদার শামীমা নূর পাপিয়া নানা অপকর্মের অভিযোগে আছেন কাশিমপুর মহিলা কারাগারে। আর এই কারাগারের নয়া বাসিন্দা করোনা কেলেঙ্কারীতে ধরা খাওয়া ডাক্তার সাবরিনা শারমিন হুসাইন। এছাড়া কয়েক বছর ধরেই কেন্দ্রীয় কারাগার-১’এ জীবনের বাকি দিনগুলো কাটাতে অবস্থান করছেন জামায়াত নেতা, যুদ্ধাপরাধী দেলাওয়ার হোসেন সাঈদী।
কাশিমপুর মহিলা কারাগারের জেলার আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, পাপিয়া আছেন কারাগারের বিশেষ সেলে। ডাক্তার সাবরিনার জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে আলাদা রুমের।
ঈদ উপলক্ষে ৪০ জন নারী বন্দিকে শাড়ি দেয়া হয়েছে। তবে অসহায় ও দুঃস্থ না হওয়ায় এ তালিকায় নাম নেই পাপিয়া ও সাবরিনার।
জানা গেছে, পাপিয়া ও সাবরিনা অন্যান্য বন্দিদের মতই সুবিধা পেয়েছেন ঈদের দিনটিতে। তাদের জন্য বিশেষ আয়োজন ছিল না। ঈদের দিন তাদের সাথে স্বজনরা কেউ দেখা করেছেন কিনা সে বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, মহিলা কারাগারে বর্তমানে ৭৭৩ জন বন্দি রয়েছেন। এদের মধ্যে ২৪ জন ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত। এছাড়া আরও অন্তত ৫০ জন আছেন যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত।
এছাড়া, কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১’এ আরেকটি ঈদের দিন অতিবাহিত করলেন একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড পাওয়া জামায়াতে ইসলামী নেতা দেলাওয়ার হোসেন সাঈদী ও এটিএম আজহারুল ইসলাম।















Leave a Reply