নিউজ ডেস্ক: কক্সবাজারের উখিয়ার বিভিন্ন আশ্রয়শিবির থেকে পালানোর সময় ২০ রোহিঙ্গাকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। রোববার রাতে উখিয়ার মরিচাবাজার থেকে রোহিঙ্গাদের গ্রেফতার করা হয়।
সোমবার দুপুরে তাদের কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল আদালতে পাঠানো হয়েছে। রোহিঙ্গাদের উখিয়া থানায় মানব পাচার আইনে র্যাবের করা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।
র্যাব-১৫ কক্সবাজারের সিনিয়র সহকারী পরিচালক (আইন ও গণমাধ্যম) ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবু সালাম চৌধুরী বলেন, উখিয়ার কুতুপালংসহ বিভিন্ন রোহিঙ্গাশিবির থেকে নানা কৌশলে বের হয়ে রোহিঙ্গারা উখিয়ার মরিচ্যা বাজারের গরুর হাটে বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। উদ্দেশ্য কক্সবাজার শহরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পালানো। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে র্যাব সদস্যরা রোববার সন্ধ্যায় গরুবাজারে অভিযান শুরু করেন। এ সময় ২০ রোহিঙ্গাকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার রোহিঙ্গারা জানান, বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য তারা আশ্রয়শিবির থেকে বেরিয়ে আসেন। মরিচ্যা গরুবাজার থেকে বাসে উঠে প্রথমে কক্সবাজার শহর, সেখান থেকে চট্টগ্রাম ও ঢাকার পথে রওনা হওয়ার পরিকল্পনা ছিল।
র্যাব জানায়, বিভিন্ন জেলায় স্থায়ীভাবে বসবাসের পাশাপাশি অপরাধ সংঘটনের লক্ষ্যে রোহিঙ্গারা আশ্রয়শিবির ত্যাগ করছে। রাতে গ্রেফতার রোহিঙ্গাদের উখিয়া থানায় হস্তান্তর করে মানব পাচার আইনে মামলা করা হয়েছে।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, গ্রেফতার ২০ রোহিঙ্গাকে আজ সোমবার দুপুরে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে। শুনানি শেষে আদালত রোহিঙ্গাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিতে পারেন। গ্রেফতার রোহিঙ্গাদের বেশির ভাগের বয়স পঞ্চাশোর্ধ্ব। সবার পরনে আলখাল্লা পোশাক।
আশ্রয়শিবিরের কয়েকজন রোহিঙ্গা নেতা বলেন, গতকাল রোববার বিকালে উখিয়ার বালুখালী আশ্রয়শিবিরে (ক্যাম্প-১১) ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তাতে দুই হাজার রোহিঙ্গার বসতি পুড়ে গেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তৎপর ছিলেন। এ সুযোগে অন্যান্য আশ্রয়শিবিরের শত শত রোহিঙ্গা নানা কৌশলে বাইরে পালিয়ে যান। এর মধ্যে ২০ জন ধরা পড়লেও অনেকে কক্সবাজার শহরের বিভিন্ন পাহাড়ের বসতিতে আশ্রয় নিয়েছেন।
রোহিঙ্গা/এসকেএম
আরও খবর পড়তে: artnewsbd.com
আর্ট নিউজ ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে: ARTNews BD













Leave a Reply